• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বেরোবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে মানববন্ধন

গোলাম মুর্ত্তজা, বেরোবি: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ’র বিরুদ্ধে স্বেচ্চাচারিতার অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদের মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় নীল দলের আয়োজনে ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে উপাচার্যের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ অমান্যসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়। নীল দলের সাধারণ সম্পাদক আপেল মাহমুদের সঞ্চালনায় ও সভাপতি ড. শফিক আশরাফের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. তুহিন ওয়াদুদ, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান শাহীনুর রহমান, দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক এটিএম জিন্নাতুল বাশার প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছয়টি অনুষদের মধ্যে তিনটি অনুষদের ডিন বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরসহ ১২ টি পদ একাই ধরে রেখেছেন । লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষকের যোগ্যতা থাকা সত্তেও বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দেয়া হচ্ছেনা। যার ফলে বিভাগটির কার্যক্রম অনেকটা অচল হয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রপতির নিয়োগপত্রে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করার শর্ত দেয়া থাকলেও তিনি নিয়োগ পাওয়ার পর ২০% ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন। টকশোর নামে বেশিরভাগ দিন তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করেছেন যাতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। যোগ্যতা থাকা সত্তেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নয়জন শিক্ষকের আপগ্রেডেশন আটকে রাখা হয়েছে। যা চরম প্রতিহিংসামুলক। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চারজন শিক্ষকের আপগ্রেডেশনের শর্ত পূরন সাপেক্ষে যোগ্যতা থাকা সত্তেও কোন কারন ছাড়াই রিপুল কবিরের আপগ্রেডেশন বোর্ড অংশগ্রহণ আটকে দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ ও মার্কেটিং বিভাগের দুই শিক্ষকের চার বছর অতিবাহিত হলেও চাকরি স্থায়ী করা হয়নি। বিভিন্ন সময় বাঙ্গালী সংস্কৃতির বিকৃতি ঘটিয়ে পশ্চিমা সংস্কৃতিতে উপাচার্যকে অশোভন অবস্থায় দেখা যায়। যা একজন উপাচার্যের মানায় না। এছাড়াও কিছু কিছু বিভাগে দুই বছরের বেশি সেশনজট থাকলেও তা নিরসনে উপাচার্য কার্যকর কোন পদক্ষেপ না নিয়ে একটি গ্রুপের হাতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার অনানুষ্ঠানিক দায়িত্ব দিয়েছেন। যারা বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি করছে। মানববন্ধনে আগামীকাল বুধবার (১৫ নভেম্বর) অনুষ্ঠিতব্য সমাজবিজ্ঞান বিভাগের আপগ্রেডেশন বোর্ডে রিপুল কবিরের ভাইভা কার্ড ইস্যু করা না হলে ভাইভা বোর্ড এর সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে শিক্ষক-কর্মকর্তা পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্য শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার আহবান জানানো হয়।

এ সময় ব্যাক্তিগত কাজে এভাবে ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করলে ভবিষ্যতে উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়ার হুমকি দেন বক্তারা।মানববন্ধনে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ