• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

জেলার সাংবাদিকতা (৫)

।। নজরুল ইসলাম তমাল ।।

1. Tripod, Tripod and Tripod: ভাল ভিডিওগ্রাফির জন্য ট্রাইপডের বিকল্প কিছু নেই। এটির ব্যবহার অবশ্যই জরুরি। পেশাদার কাজের জন্য এর বহুমুখি আবশ্যিকতা অনেক। টেলিভিশন মাধ্যমে ভিডিও ছবির গুরুত্ব এক কথায় বলতে গেলে এটি টেলিভিশনের প্রাণশক্তি। এই পেশাদার মাধ্যমে দর্শকও থাকে অনেক। তাদের ভাল লাগাকে গুরুত্ব দিতেই ভিডিও ফুটেজের মান ভাল এবং দৃশ্যধারণ সৃজনশীল হওয়া বাঞ্চনীয়।
এরমানে এই নয় যে, ক্যামেরা হাতে নিয়ে ফুটেজ ধারণ কোনো ভুল বিষয় বা করা যাবেনা। Tilt Up+Down এবং Pan ফুটেজ Shooting এর জন্য ট্রাইপডের কোনো বিকল্প নেই। ভিডিওগ্রাফির বেসিক নিয়মের মধ্যে এটি এজন্য জরুরি যে ট্রাইপড আপনাকে sharp, clean and smooth footage নিতে সাহায্য করবে। নিজের শরীরকে স্থির করে গাছের সঙ্গে বা দেয়ালে দাঁড়িয়েও ভিডিও ধারণ করা যায়। তবে মনে রাখতে হবে A tripod can support your camera in the perfect position for however long you wish, helping you to take great footage. Steady camera is a necessity for all types of photography/Videography, so in any situation they will be useful. এখানে কয়েকটি বিষয় তুলে ধরছি, যেগুলোর মধ্যে একটিও যদি আপনার প্রয়োজন হয়, তাহলে ট্রাইপড ব্যবহার করতেই হবে।
a. Night, Sunrise and Sunset: যখন প্রাকৃতিক আলো কমে যায় তখন ক্যামেরায় কোন ছবি ধারণ করতে এর লেন্সে অতিরিক্ত আলোর প্রয়োজন হয়। এসময় ক্যামেরায় exposure and shutter speed এর সঙ্গে Adjust করা না হলে এবং ক্যামেরা নড়ে গেলে ধারণকৃত ছবি অনাকাঙ্খিত ব্লার হয়ে যায়।
b. Close Up Shots: ছোট কোন জিনিসের ক্লোজআপ শট নিতে যথেষ্ট দক্ষতার প্রয়োজন। না হলে সামান্য নড়াচড়ার কারণে শটটি বাতিল হয়ে যায়।
c. Action Shot and Sports Videography: চলমান কোনকিছুর ভিডিও ধারণে অবশ্যই ট্রাইপডের প্রয়োজন। নাহলে সঠিকফ্রেমে বিষয়টি রেখে দৃশ্যধারণ সম্ভব নয়। আর নড়াচড়ার কারণে সাবজেক্টের ছবি পরিস্কার বোঝানো যায়না। ট্রাইপডে এধরণের ফুটেজ ধারণ করলে Panning and Tilts শট নিতে সুবিধা হয়।
d. Nature Videography: প্রকৃতির দৃশ্য ধারণে ট্রাইপড হলো মুল চাবিকাঠি। প্রকৃতির মাঝে পশুপাখি বা প্রাণীর ছবি নিতে অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। অথচ কাঙ্খিত মুহূর্ত পাওয়া যায় খুব অল্প, কখনো তা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এধরণের ভিডিও ধারণ শেষ করতে হয়। এজন্য ক্যামেরা ট্রাইপডে রেখে প্রস্তুত থাকলে ভাল দৃশ্যধারণ সহজ হয়। নইলে দীর্ঘ সময় নষ্ট করেও কোনো ফল পাওয়া যায়না।
e. Telephoto Lens: যেখানে সাবজেক্টের কাছে থেকে দৃশ্যধারণ সম্ভব নয়, বা জীবনের জন্য হুমকি এসবক্ষেত্রে বিশেষ ধরণের ক্যামেরা এবং লেন্সের মাধ্যমে কাজ করতে হয়। Wildlife, war, এর শুটিং ঘটনাস্থলে মধ্যে গিয়ে নয় বরং অনেক দূর থেকে করতে হয়। এসব ক্ষেত্রে সামান্য বাতাসে ক্যামেরা নড়লে সমস্যা বেড়ে যায়, ভাল ফুটেজ ধারণ সম্ভব হয় না।
f. To be Flexible: Dramatically পরিবেশে ভালমানের ভিডিও ধারণ করতে ট্রাইপড লাগবেই। কারণ এমন কৃত্রিম পরিবেশে ক্যামেরা হাতে নিয়ে শুটিং করলে ফুটেজের শার্পনেস কমে যায়। বড় সমস্যা হয় ক্যামেরা Smoothly Pan করা যায়না।
g. To be Creative: একটি ট্রাইপড ভাল ভিডিওগ্রাফিতে কিভাবে যে আপনাকে সাহায্য করে তা চিন্তাও করতে পারবেন না। শট নির্বাচন করে সাবজেক্টকে ভাল ফেমে ধারণ করতে গেলে এই জিনিসটির বিকল্প ভাবা কঠিন। আর যারা নতুন, যারা সৃষ্টিশীল কিছু করে দেখাতে চান। তারা ট্রাইপড ছাড়া ভিডিওগ্রাফি না করাই শ্রেয়।
2. Auto/ Manual (স্বয়ক্রিয়/ম্যানুয়াল): ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয় নাকি ম্যানুয়াল সেটিংস থেকে অপারেট করতে হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে এক কথায় বলতে হয় ক্যামেরা ম্যানুয়াল সেটিংস থেকেই অপারেট করতে হবে। ভাল ভিডিওগ্রাফির জন্য স্বয়ংক্রিয় অপশনে যা সম্ভব নয়। এজন্য ক্যামেরার সেটিংস অপশন থেকে ম্যানুয়াল কন্ট্রোল শেখা জরুরি। এখানে Frame Rate, Iris and Gain সহ নানা ধরণের অপশনগুলো নির্বাচন করতে হয়। যেকারণে জানা জরুরি হয়ে পড়ে মানসম্পন্ন ফুটেজ ধারণে কোন অপশন কিভাবে কাজ করে।

জেলায় যারা মোটামুটি মানের একটি হ্যান্ডিক্যাম দিয়ে নিউজের ফুটেজ ধারণ করে থাকেন। তাদের জন্য ক্যামেরার মানুয়াল সেটিং থেকে কাজ করা একটু কঠিন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় প্রায় সবাই স্বয়ংক্রিয় মুডেই ক্যামেরা অপরেট করে থাকেন। স্বয়ংক্রিয় মুডে ক্যামেরা অপারেট করায় এর অভ্যন্তরীণ কাজ ও পরির্বতন সম্পর্কে অনেক কিছুই অজানা থাকে। অনেক সময় ক্যামেরার অনাকাঙ্খিত পরিবর্তন চিন্তায় ফেলে দেয়। ক্যামেরায় কখন কি ধরণের পরিবর্তন আসে এবং কেন এমন হয় বা ক্যামেরা এমন করছে কেন? তা অনেকের পক্ষের বোঝা সম্ভব হয় না। এতে ফুটেজের মান অনেক সময় খারাপ আসে। এরপর ক্যামেরাটি নিয়ে যে ধরণের গবেষণা শুরু হয়, এর প্রভাবে যন্ত্রটির আয়ু হ্রাস পায়। অনেক সময় তা পুরোপুরি মরে যায়। যেকারণে স্বয়ংক্রিয় মুডে ক্যামেরা অপারেট করলে সব সময় আকাঙ্খিত মানের ফলাফল পাওয়া যায় না। একটা কথা মনে রাখতে হবে ক্যামেরার মতো করে আপনি চলবেন, নাকি আপনার মতো করে ক্যামেরা চলবে?…

3.Light (আলো): জেলার সংবাদকর্মীদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ফুটেজে আলোর নিয়ন্ত্রণ। ভাল মানের ফুটেজ রেকর্ড করতে চাইলে ক্যামেরায় আলোর প্রভাব অনেক বেশি। অনেক সময় দেখা যায় আলোর সঠিক ব্যবহার না করায় একই নিউজে ফুটেজ একেক রকম হয়ে যায়। কোনো দৃশ্যে সাবজেক্ট অস্পষ্ট, কোনোটিতে সাবজেক্ট বার্ন হয়ে গেছে, আবার কোনোটি আলোছায়াতে কেমন বিশ্রি হয়ে গেছে।
দিনের আলোতে যেকোনো ধরণের ফুটেজ ধারণ করলে আলোর স্বল্পতা হয়না। প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া আলোতে তাই বেস্ট কোয়ালিটির ফুটেজ পেতে সহজ হয়। তবে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় রাতের ফুটেজ ধারণে। স্বল্প আলোতে অথবা অন্ধকারে অনেক সময় তা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আর জেলায় সংবাদকর্মীরা যেধরণের ক্যামেরা ব্যবহার করেন তাতে ভালতো দূরের কথা- ফুটেজ পাওয়াই কঠিন। কোনোক্ষেত্রে ক্যামেরা থাকলে তা কাজে আসেনা। তবে এখন রাতের স্বল্প আলোতেও অনেক ভাল মানের ফুটেজ রেকর্ড করা যায়। এসব ক্যামেরায় Iris বা Exposure gain অনেক উন্নত হওয়ায় রাতে শুটিং আর কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু Exposure বাড়িয়ে বিষয়বস্তুকে উজ্জল করা গেলেও, প্রকৃতপক্ষে এখানে ফুটেজের Noise এর পরিমাণই বাড়ে।
বেশি সমস্যা দেখা দেয় Indoor শুটিং এর ক্ষেত্রে। ক্যামেরায় অতিরিক্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকলে ভাল ফুটেজ ধারণ প্রায় অসম্ভব। এসব পরিবেশে ব্যক্তি বিশেষের ইন্টারভিউ নিতে হলে জানালা দিয়ে আসা আলো তার সামনে থাকা জরুরি। অনেকেই যে ভুল করে থাকেন, তাহলো সাবজেক্টের পেছনে জানালা রেখে শুটিং করেন। এতে Exposure বাড়িয়ে সাবজেক্ট ঠিক হলেও তার আশপাশে ফুটেজ বার্ন করে বা জ্বলে যায়। এটা মানতেই হবে যে, জেলা পর্যায়ে যেধরণের ক্যামেরা দিয়ে নিউজের কাজ করা হয়। তা দিয়ে আর যাইহোক স্বল্প আলোতে ভাল ফুটেজ ধারণ কাজে আসেনা। এরমধ্যে যেসব ক্যামেরায় Iris/Exposure আছে তা দিয়ে কাজ করা। এতে অন্ধকার বা স্বল্প আলোতেও নেয়া ফুটেজ কিছুটা উজ্জল দেখাবে। কিন্তু এটারও একটা সীমা আছে যার পর আর Exposure কাজ করে না। সেখানে রুমে কৃত্রিম আলোর দরকার হয়।
এসব বিষয় মাথায় রেখে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললেও অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। যেমন: যার ইন্টারভিউ নেয়া হবে তার পেছনে যেন সূর্যের আলো না থাকে। গাছের ছায়াতেও নয়, এতে বাইরের আলো বেশি থাকে। মনে রাখতে হবে, সূর্যের আলোর সামনা সামনি ক্যামেরার লেন্স সঠিক Iris নির্ধারণ করতে পারেনা। এজন্য সূর্যের বিপরীত দিকেই লেন্স রেখে শুটিং করলে ভাল ফুটেজ পাওয়া যাবে। ইন্টারভিউ এরক্ষেত্রে সাবজেক্টকে বোঝাতে হবে আলোতে ছবি ধারণ করলে তার ছবিটি সুন্দর দেখাবে।

4. Audio (শব্দ): একটি ফুটেজের প্রাণ হলো শব্দ। যে ফুটেজ ধারণ করা হয়েছে তাতে যদি কোন শব্দ না থেকে ওটা Dead Footage হয়ে যায়। জেলা পর্যায়ে বেশিরভাগ ফুটেজের Natural Sound নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। ফুটেজের সঙ্গে ধারণকৃত শব্দটি ফেলে দেন অনেকে। যখন যে পরিবেশে ফুটেজ ধারণ করা হচ্ছে, সেই পরিবেশের শব্দটি যেন অবশ্যই থাকে। এছাড়া যিনি ফুটেজ ধারণ করছেন তাকে বা তার সঙ্গে থাকা লোকজন ক্যামেরার পেছনে আলাপ আলোচনা করেন। অহেতুক কথা বলেন। ক্যামেরা যতক্ষণ Rolling বা Record মুডে থাকে, তখন ভুল করেও ক্যামেরার পেছনে কথা বলা ঠিক নয়। ক্যামেরার Built in মাইক্রোফোনের মাধ্যমেই Natural Sound Record হয়ে থাকে।

ইন্টারভিউ নেয়ার জন্য অবশ্যই জরুরি একটি Microphone। স্বল্প বাজেটের অনেক ক্যামেরাতে Microphone ব্যবহার করা যায় না। এসব ক্যামেরায় সরাসরি ইন্টারভিউ ধারণ করা হয় বলে, শব্দের মান খুবই খারাপ থাকে। অনেক সময় তা ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। যেহেতু পেশাদার কাজের জন্যই Audio টি আপনার দরকার, তাই এমন ক্যামেরা কিনতে হবে যাতে Extra Microphone ব্যবহার করা যায়। টেলিভিশনে যেকোন নিউজ করতে গেলে ইন্টারভিউ লাগবেই। বেশিরভাগ প্রতিবেদনের জন্য পাঠানো ইন্টারভিউ মাইক্রোফোনে রেকর্ড না করায় তা বাতিল হয়ে যায়, খারাপ অস্পষ্ট শব্দের কারণে। তাই ক্যামেরা কেনার আগে এই বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি। Broadcast Quality Camera তে অডিও রেকর্ডিং এর জন্য Level Controller থাকে যা ব্যবহার করে সঠিক Gain এ Audio Record করা যায়। ক্যামেরায় শব্দ ধারণের জন্য কিছু বিষয় মেনে চললে সমস্যা থাকবে না নিশ্চিত। অন্যসবগুলোর মধ্যে নূন্যতম যেসব কারণে হলেও Microphone ব্যবহার করতে হবে:
১. পেশাদার কাজের জন্য ক্যামরার সঙ্গে Microphone ব্যবহার জরুরি ভাল Output এর জন্য। যদিও ক্যামেরায় Built in Mic থাকে। এতে আশানুরুপ ফল পাওয়া যায় না বলে।
২. সাবজেক্ট থেকে ক্যামেরা যখন ভিন্ন Position এ থাকে। যেমন- জনসভায় বিশেষ ব্যক্তির বক্তব্য নিতে, একটি রুমের একপ্রান্তে ক্যামেরা এবং অন্যপ্রান্তে সাবজেক্ট থাকলে, বদ্ধ ঘরে, স্টেজ শো, দুর্ঘটনা বা Gathering পরিবেশে, যেখানে অনেক মানুষের হৈচৈ থাকে কিন্তু বক্তব্য নিতে হয় বিশেষ ২/১ জনের। এমন পরিবেশে নিউজ Cover এর জন্য Microphone ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে।
৩. বাতাসের শব্দ থেকে সাবধান থাকতে হয়। অনেক ক্যামেরায় Wind noise filter ব্যবহার করা গেলেও তা কখনো কখনো খুব কমই কাজে আসে। আবার অনেক ক্যামেরাতে এই অপশনই নেই। এসব পরিবেশে Microphone লাগবেই।
এছাড়, ভাল Audio Record এর আগে নিশ্চিত করতে হবে শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ, যতটা সম্ভব ক্যামেরা হাতে না রাখা, ক্যাবলের বিড়ম্বনা থেকে Wireless Microphone ব্যবহার, রেকর্ডিং এর সময় Microphone Cable না নড়ানো, স্বল্প দূরত্বে লম্বা Cable ব্যবহার না করা, ইন্টারভিউ নেয়ার সময় ঘরে খারাপ শব্দ হয় এমন ফ্যান, এসি, মোবাইল, টেলিভিশন বন্ধ রাখা এবং ইন্টারভিউ শেষে শব্দ চেক করা এবং ফুটেজ থেকে ইন্টারভিউ ধারণ সব সময় হেডফোন ব্যবহার করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ