সিসি নিউজ, ২৮ মার্চ : রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ বলেছেন, সেনাবাহিনীর সদস্যগণ বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্নিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দূর্যোগে সব সময় জনগনের পাশে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও তাদের কৃতিত্বপূর্ন ভুমিকা দেশ-বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।সৈয়দপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত প্যারেডে পরিদর্শন শেষে এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ইএমই কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠান, বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন ও ৫ম কোর পুনর্মিলনী শুরু হয়েছে। দুই দিন ব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আজ বুধবার ইলেকট্রিক্যাল এ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স সেন্টার এন্ড স্কুলপুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে সৈয়দপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত প্যারেডে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। প্যারেড শেষে রাষ্ট্রপতি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যেতার মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন। এসময় তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া এ সেনাবাহিনীকেএকটি প্রশিক্ষিত, সুশৃঙ্খল এবং আধুনিক সেনাবাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।
বক্তব্যে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরপরই যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে সীমিত সম্পদ দ্বারা জাতির পিতা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গঠনে উদ্যোগী হন। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই বর্তমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গোড়াপত্তন হয়। বঙ্গবন্ধু সবসময়ই আধুনিক, শক্তিশালী ও যুগোপযোগি সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতেন।
পুনমির্লনী প্যারেডের পর রাষ্ট্রপতি ইলেকট্রিক্যাল এ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স সেন্টার এন্ড স্কুল-এর প্রশিক্ষণ এলাকায় একটি আম গাছের চারা রোপন করেন। এরপর তিনি ইএমই কোরের কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং শহীদ পরিবারবর্গের সাথে প্রীতিভোজে অংশ নেন।
এর আগে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি সৈয়দপুরে আগমন করলে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, কর্নেল কমান্ড্যান্ট ইএমইসিএন্ডএস সহ উর্ধতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান, সংসদ সদস্য বৃন্দ, উর্ধতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।