• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

দশমাইল হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় কমেছে সড়কে দূর্ঘটনা

সিসি নিউজ, ২১ জুন: হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় দুর্ঘটনা ও প্রাণহানী কমেছে মহাসড়কে। গতিসীমা লঙ্ঘন করা গাড়ির পাশাপাশি থ্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত এবং শ্যালোমেশিন চালিত নছিমন, করিমন, ভটভটি ও শব্দ দূষণকারী হাইড্রোলিক হর্নের বিরুদ্ধেও অভিযান চালাচ্ছে তারা। ফলে গত কয়েক মাসে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। মহাসড়কে নির্বিঘ্নে যান চলাচলে কর্মব্যস্ত রয়েছে সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের দশমাইল হাইওয়ে থানা।
মহাসড়কে বিশেষ করে সৈয়দপুর-দশমাইল মহাসড়কে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটতো যানবাহনের অতিরিক্ত গতির কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
রাবেয়া মিল এলাকার বাসিন্দা নুরুল আমিন জানান, ছোটখাটো যানবাহনের কারণে আগে মহাসড়কে প্রায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটতো। হাইওয়ে পুলিশের নিয়মিত অভিযানের কারণে ওইসব যানবাহন লাপাত্তা হয়েছে মহাসড়ক থেকে। তাছাড়া অতিরিক্ত গতিসম্পন্ন গাড়িগুলোকে স্পিডগান দিয়ে পরীক্ষা করার কারণে দূর্ঘটনার ঝুঁকি কমেছে। ফলে গত কয়েক মাসে মহাসড়কে উল্লেখযোগ্য কোনো দুর্ঘটনা তথা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
থানা সূত্রে জানা গেছে, ৫১ কিলোমিটার মহাসড়ক কর্মএলাকায় ৩১জন জনবল নিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে দশমাইল হাইওয়ে থানা। গত কয়েক মাসে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ৪৪৩টি মামলা দায়ের হয়েছে।

চম্পাতলী এলাকার বাসিন্দা আনিসুল হক বলেন, হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতার কারনে এবারে ঈদে নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচল করেছে। ফলে দশমাইল হাইওয়ে পুলিম ফাঁড়ির আওতায় ৫১ কিলোমিটার সড়ক পথে নেই কোন দূর্ঘটনা। এ ছাড়া দিনের বেলা হাইওয়েতে আর আগের মতো নসিমন, করিমন, ভটভটিও চোখে পড়ে না।

অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুল মালেক বলেন, সৈয়দপুর-দশমাইল মহাসড়কে নিরাপদ গতিসীমা ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। কিন্তু সড়কটি খুবই ভালো, তাই গতি বাড়িয়ে দেয় চালকরা। এছাড়া অভারটেকিং মানসিকতা, থ্রি-হুইলার, অসতর্কতার সঙ্গে পথচারী পারাপারের ফলেও ঘটে দুর্ঘটনা ঘটে। গতিসীমা ৮০ কিলোমিটার অতিক্রম করলে সেই গাড়ি বা চালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। আর এর চেয়ে নিচে ৭০ কিলোমিটার গতি থাকলে তাদের থামিয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া হাইড্রোলিক হর্ন থাকলে তা খুলে নেওয়া হচ্ছে। থ্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত এবং শ্যালোমেশিন চালিত নছিমন, করিমন, ভটভটি জব্দ করাসহ তাদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ