• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

রিজেন্ট এয়ারকে ৪ কোটি টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ

সিসি ডেস্ক, ১৭ জুলাই: বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা রিজেন্ট এয়ারওয়েজকে আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে সরকারি কোষাগারে প্রায় চার কোটি টাকা জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই টাকা জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের অতিরিক্ত ১০ কোটি টাকা জরিমানা গুনতে হবে।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
সোমবার আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইসরাত জাহান।
তিনি বলেন, হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা এক আবেদনে আপিল বিভাগ এ আদেশ দিয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, আইন অনুযায়ী যাত্রীদের কাছে বিক্রি করা বিমান টিকিটের ওপর আবগারি শুল্ক দিতে হয়। এই আবগারি শুল্ক হিসেবে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের কাছে সরকারের পাওনা হয় ৩ কোটি ৯৮ লাখ ৩৭ হাজার ৪শ টাকা। কিন্তু এই টাকা না দেওয়ায় আইন অনুযায়ী কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট কমিশনার ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর এক আদেশে রিজেন্টকে মূল টাকার পাশাপাশি ১০ কোটি টাকা জরিমানা করে। এই আদেশের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে রিজেন্ট আপিল করলে তা গত ৭ ফেব্রুয়ারি খারিজ হয়। এরপর হাইকোর্টে রিট আবেদন করে রিজেন্ট এয়ারওয়েজ। হাইকোর্ট গত ৮ এপ্রিল এক আদেশে কাস্টমস কমিশানরের আদেশ স্থগিত ও রুল জারি করে। এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এ আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আপিল বিভাগ এক আদেশে তিন সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে নির্দেশ দেয়। এ সময় পর্যন্ত ১০ কোটি টাকা জরিমানার আদেশ স্থগিত থাকবে।
আদালতে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের (এইচজি এভিয়েশন লিমিটেড) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এএম আমিনউদ্দিন ও সাদ উল্লাহ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ