• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

যৌন নির্যাতন: হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ‌্যাপক বরখাস্ত

দিনাজপুর প্রতিনিধি, ৩০ জুলাই: হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক ড. রমজান আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। বরখাস্তকৃত ড. রমজান আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমেষ্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক।
অন্যদিকে যৌন নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত বরখাস্তকৃত সহকারী অধ্যাপক ড. রমজান আলী’র শাস্তি’র দাবীতে আজ দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। অভিযুক্ত শিক্ষক ড,রমজান আলীসহ অন্য অভিযুক্ত শিক্ষকদেরও বিচারের দাবী করে বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবী করেন, আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
যৌন নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক ড. রমজান আলীকে সাময়িক বরখাস্ত সংক্রান্ত পত্র আজ সোমবার সকালে প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার অধ্যাপক ড.শফিউল আলম।
এর আগে যৌন নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম বেশ কয়েকবার মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে। প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের সাধারন সম্পাদক প্রফেসর ড. বলরাম রায় অভিযোগ করেন গত এক বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের উপর যৌন হয়রানীর অভিযোগ ওঠে। লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটির রিপোর্টে তা প্রমানিতও হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদের শাস্তির দাবীতে শিক্ষক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে মানব বন্ধন, অবস্থান ও কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে। বর্তমানে একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের ব্যবস্থা গ্রহন করা হলেও আরো দু’জন রয়েছে ধোরা-ছোঁয়ার বাইরে।
একই অভিযোগ করেছেন, ফোরামের সদস্য প্রফেসর ড. এটিএম শফিকুল ইসলাম, প্রফেসর ড. আনিস খান, প্রফেসর ড. সাইফুর রহমান, প্রফেসর ড. নিজামউদ্দিনসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরাও।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ