• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ছোট হচ্ছে মন্ত্রিসভা, থাকছেন শুধু এমপিরাই

সিসি ডেস্ক, ১৮ অক্টোবর।। একাদশ সংসদ নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হচ্ছে ৩১শে অক্টোবর থেকে। তবে নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভার আকার পরির্বতনের দিন ঠিক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৫৪ জনের মন্ত্রিপরিষদকে অর্ধেকে নামিয়ে আনার পক্ষে তিনি। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আরও জানাচ্ছেন, এবার নির্বাচনকালীন সরকারে জায়গা পাচ্ছেন শুধু নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা।
চলতি সংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৮ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ বহাল রেখে এর আগের ৯০ দিনের মধ্যে করতে হবে নির্বাচন। সেই হিসাবে অক্টোবরের শেষ দিন থেকে আগামী বছরের ২৮ জানুয়ারির মধ্যে হতে হবে ভোট।
বর্তমান মন্ত্রিপরিষদে বিশেষ দূত হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদসহ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সাত জন। মন্ত্রী ৩৩, প্রতিমন্ত্রী ১৭ এবং উপমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন দুজন। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা না থাকলেও একাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এর আকার ছোট করে নির্বাচনকালীন সরকারে রূপ নেবে বর্তমান সরকার।
তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিলের পর প্রথম নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হয় দশম সংসদ নির্বাচনের আগে। সে-বার, তফসিল ঘোষণা ১৪ দিন আগে ২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকেই একযোগে পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা।
১৮ নভেম্বর নতুন মন্ত্রি-প্রতিমন্ত্রীর শপথের মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভার আকার ছোট করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার একদিন পর টানা হয় সংসদ বহাল রেখে নবম সংসদের শেষ অধিবেশনের সমাপনী। ২৯ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও ১১ উপদেষ্টা জায়গা পান নির্বাচনি মন্ত্রিসভায়। বাদ পরেন ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। ২৫ নভেম্বর দশম জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণা দেয় ইসি।
সরকারের বেশ কজন নীতি নির্ধারক জানাচ্ছেন, এবার ২৫ ডিসেম্বরের পর যেকোনও দিন হতে পারে ভোট। এর দিনক্ষণ হিসাব করে তফসিল ঘোষণা ও ভোট নেয়ার মধ্যে ৪০ থেকে ৫০ দিনের ব্যবধান রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
সে হিসাবে নভেম্বরের মাঝামাঝি আসতে পারে এবারের ভোটের তফসিল। আর ওই মাসের প্রথম দিকেই দায়িত্ব নিতে পারে নির্বাচনকালীন সরকার।

উৎস: ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ