• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

‘ড. কামাল হোসেনের চুপ থাকা অধঃপতন’

ঢাকা, ১৭ নভেম্বর।। ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, নয়াপল্টনে জ্বালাও পোড়াওয়ের ঘটনায় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনের চুপ থাকা অধঃপতন। তিনি অপশক্তির কাছে এত বেশি বিক্রি হয়ে গেলেন, বিস্মিত হলাম। নয়াপল্টনে পুলিশের ওপর হামলা নিয়ে তিনি একটা কথাও বললেন না। এটা সত্যি খুব দুঃখজনক ঘটনা।’

শনিবার দুপুরের বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১৪ দলের সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

নাসিম বলেন, যারা এখনও ঠিক করতে পারেনি দলনেতা কে হবে , তাদের কাছে জনগণ কী আশা করতে পারে? আমাদের যেমন সিদ্ধান্ত আছে, যখনই নির্বাচন হবে প্রধানমন্ত্রী হবেন শেখ হাসিনা। নির্বাচনকে সামনে রেখে শেখ হাসিনা যে কোনো সিদ্ধান্ত নিবেন ১৪ দল তার পক্ষে থাকব। ১৪ দল নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। মুক্তিযুদ্ধের শক্তি ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।

নির্বাচনে প্রচারণার কাজে ১৪ দলের পক্ষ থেকে একটি একটি টিম করা হবে উল্লেখ করে ১৪ দলের মুখপাত্র বলেন, এই টিম গ্রামে গঞ্জে সভা সমাবেশ করবে। এই টিমে নেতৃত্ব দিবে আমি নিজেই। বিজয় দিবস থেকে বিজয় মঞ্চ প্রতিটি জেলা উপজেলায় বিজয় মঞ্চ তৈরি করবে। এই মঞ্চে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বিজয়ের ইতিহাসসহ নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হবে। আশাকরি আমরা বিজয়ের দিকে এগিয়ে যাবো।

ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বর মাসে কোনও সময়ই বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী দল পরাজিত হয়নি। জাতির জনকের নেতৃত্বে এ মাসেই আমরা পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করেছিলাম। ডিসেম্বর মাস আসলেই কি কারণে যেন বিএনপি-জামায়াত জোট ভয় পায়। তাদের একাত্তরের সেই পরাজয়ের কথা মনে হয়। এই কারণেই ডিসেম্বর মাস আসলে তারা আতঙ্কিত হয়।

তিনি বলেন, এজন্য আমরা দেখলাম নির্বাচন কমিশন যখন তফসিল ঘোষণা করলো, তারপরও ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে একাধিকবার জানিয়েছে নির্বাচনের তারিখ পেছানোর জন্য। নির্বাচন কমিশন তাদের অনুরোধ থেকে একাধিকবার তারিখ পরিবর্তন করলো। এই ব্যাপারে আওয়ামী লীগ কিংবা ১৪ দল কেউ কোনও আপত্তি করেনি। আমরা বললাম ঠিক আছে, তাদের সুযোগ দেওয়া হোক। এরপরও দেখলাম তারা আবার আবদার করলো। ডিসেম্বর মাসে তারা নির্বাচন করতে চায় না। এজন্য আমাদের ধারণা ডিসেম্বর মাস আসলে তারা ভয় পায়, তারা আতঙ্কিত হয়, হেরে যাওয়ার ভয়ে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের ( জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি মজিবুর বশর মাইজভান্ডারি, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়াসহ অনেকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ