সিসি ডেস্ক, ১৩ জুন।। আলোচিত নতুন ভ্যাট আইন জুলাই থেকে কার্যকর করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে নিয়ে আইনে, ১৫ শতাংশের একক স্তরের পরিবর্তে ছয় স্তর প্রস্তাব করেছেন তিনি। এদিকে, করমুক্ত ব্যক্তি আয়ের সীমায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে নিয়ে ভ্যাট আইনে আমূল পরিবর্তন আনার প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীর। ১৫ শতাংশের একক হারের পাশাপাশি পাঁচ, সাড়ে সাত ও দশ শতাংশের তিনটি স্তরের প্রস্তাব করেছেন তিনি। এছাড়া ওষুধ ও পেট্রলিয়াম জাতীয় পণ্যের জন্য দুই দশমিক চার ও দুই শতাংশের আরো দুটি স্তরের প্রস্তাব তার।
প্রস্তাবিত আইনে ৫০ লাখ টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো ভ্যাট দিতে হবে না। টার্নওভার সীমা ৫০ লাখ থেকে তিন কোটি টাকা করে কর নির্ধারণ করা হয়েছে চার শতাংশ। বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস বা ইএফডি ব্যবহার।
কয়েক বছরের মধ্যে নিয়মিত করদাতার সংখ্যা এক কোটিতে উন্নীত করতে চান অর্থমন্ত্রী। আর এজন্য এনবিআরের সক্ষমতা বাড়াতে কর অঞ্চল দ্বিগুণ ও গড়ে তুলতে চান গোয়েন্দা বাহিনী।
ব্যক্তি ও কোম্পানির করপোরেট কর-হারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। তবে অনিবাসী ব্যবসায়ীদের আয়কর রিটার্ন দেয়া করা হয়েছে বাধ্যতামূলক।
এছাড়াও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বলছেন, ১০ শতাংশ কর দিয়ে এখন থেকে অর্থনৈতিক অঞ্চলে ও হাইটেক পার্কে কালো টাকা বিনিয়োগ করলে উৎস নিয়ে প্রশ্ন তোলা হবে না।
ঠিকাদারি বিলের ওপর উৎসে করের সর্বোচ্চ হার সাত থেকে কমিয়ে পাঁচ শতাংশ করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। তবে তৈরি পোশাক খাতের উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়নি।