• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

‘বন্দি’ স্বামীকে উদ্ধারে সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি

soniaআর্ন্তজাতিক ডেস্ক: স্বামীকে ইরানের এক গেস্টহাউসের বন্দিদশা থেকে উদ্ধারে সাহায্য চেয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন জোট ইউপিএ’র চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি পাঠিয়েছেন সঙ্কেত পান্ডিয়ার স্ত্রী প্রীতি।

৩৬ বছর বয়সি সঙ্কেত গোয়ার পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইন্ডিয়া) প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ম্যানেজার। সম্প্রতি তিনি কোম্পানির কাজেই হরিয়ানার বাসিন্দা সহকর্মী মহম্মদ হুসেন খানকে নিয়ে ইরানের ঝনজন শহরে যান। অভিযোগ, ব্যবসা সংক্রান্ত মতপার্থক্যের কারণে সেখানের এক গেস্টহাউসে একমাসেরও বেশি সময় ধরে তাঁদেরকে কার্যত গৃহবন্দি করে রেখেছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়াকে পাঠানো চিঠিতে প্রীতি লিখেছেন, ‘বর্তমানে হাতে কোনও টাকাপয়সা না থাকায় আমার স্বামী ভয়ানক দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। গত ৩৯ দিন ধরে তাঁকে সংশ্লিষ্ট গেস্টহাউসের বাইরে পা রাখতে দেওয়া হচ্ছে না। স্ট্যাম্প মারার অজুহাত দেখিয়ে গত ১৭ ডিসেম্বর তাঁর এবং মিস্টার খানের পাসপোর্ট নিয়ে নেয় কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। তখন তাঁরা দেশে ফেরার তোড়জোড় করছিলেন, কারণ ২৩ ডিসেম্বরই তাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল।’

চিঠিতে প্রীতি আরো জানিয়েছেন, তাঁর দু’টি শিশুসন্তান এবং বৃদ্ধা শাশুড়ি রয়েছেন।  পরিবারের প্রত্যেকেই সঙ্কেতের ব্যাপারে অত্যন্ত চিন্তিত এবং তাঁর বাড়ি ফেরার পথ চেয়ে রয়েছে।

প্রীতির ভাই দিলীপ পাঠক জানান, সঙ্কেতকে ইরানের ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট কোম্পানি অবৈধভাবে আটক করার দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। তবে পরিবার ও কোম্পানির কর্মচারীদের সঙ্গে সঙ্কেতকে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে বলেই জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এবং বিদেশ মন্ত্রকের পাশাপাশি স্থানীয় বিজেপি সাংসদ বালকৃষ্ণ শুক্লার সাহায্যও চেয়েছেন সঙ্কেতের আত্মীয়রা। এ প্রসঙ্গে শুক্লা বলেন, ‘আমি এ ব্যাপারে সাহায্য চেয়ে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ এবং গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছি। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গেও কথাবার্তা চলছে।
সূত্র: পিটিআই


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ