• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

পুলিশের জালে কোটিপতি পিয়ন

সিসি ডেস্ক, ৬ ডিসেম্বর।। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিসের আলোচিত কোটিপতি পিয়ন ইয়াছিন মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোর রাতে জেলা সদর থেকে তাকে আটক করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ।

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সামান্য পিয়ন পদে চাকরি করে ইয়াছিন অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। দুর্নীতির মাধ্যমে কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। জেলা শহরে রয়েছে তার তিনটি বাড়ি, সঙ্গে তিন স্ত্রীও।

সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে দেশের বেশকিছু সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশ করলে লাপাত্তা হয়ে যান ইয়াছিন। তার উধাও হওয়ার ঘটনাটি ছিল জেলাজুড়ে টক অব দ্য টাউন। অবশেষে আজ সে ধরা পড়েছে পুলিশের জালে।

জানা গেছে, ২৩ বছর আগে ইয়াছিন সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে পিয়ন পদে চাকরি পান। তার মধ্যে ১০ বছর ছিলেন অস্থায়ী হিসাবে। ২০০৬ সালে তার চাকরি স্থায়ী হয়। এরপর নানা সময়ে তাকে আশুগঞ্জ ও নাসিরনগর উপজেলায় বদলি করা হলেও ঘুরে ফিরে তিনি সদরে চাকরি করেন। প্রায় সময়ই অফিসের নকল, তল্লাশি ও রেজিস্ট্রেশন ফিসহ চালানের টাকা সোনালী ব্যাংকে জমা দিতে পাঠানো হত তাকে।

কিছুদিন আগে অফিসিয়াল অডিটে তার বিরুদ্ধে ‘কোটি টাকার ঘাপলা’ প্রকাশ পায়। ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে গা ঢাকা দেন ইয়াছিন। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংকের ভুয়া চালান তৈরি করে তিনি ওই টাকা আত্মসাৎ করেন।

এদিকে পিয়ন ইয়াছিন ‘নিখোঁজ’ এই অভিযোগে ২৯ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো. মোস্তাফিজুর রহমান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ