• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

জয়পুরহাটে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ

জয়পুরহাট, ২৮ ডিসেম্বর ।। জয়পুরহাটের তানিয়া বেগম (২০) নামে এক গৃহবধুকে হত্যার পর বাঁশের বর্গার সাথে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে কালাই উপজেলার কাজীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর থেকে স্বামীসহ বাড়ীর সকলে পলাতক রয়েছে। তানিয়ার স্বামী ফেরদাউস হোসেন ওই মহল্লার বাক্কার হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায় , দু’বছর আগে ফেরদাউস হোসেনের সাথে ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়ইল গ্রামের জিয়াউর রহমানের মেয়ে তানিয়ার বিবাহ হয়। এরপর তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। গত এক মাস আগে ফেরদাউস আবারও দ্বিতীয় বিবাহ করেন। এরই জেরে কয়েকদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো। শুক্রবার বিকেলে ফেরদাউস ও তানিয়ার মাঝে আবারও ঝগড়ার একপর্যায়ে মারপিটের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় তানিয়া মারা যায়।

বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তড়িঘড়ি করে স্বামীসহ পরিবারের সকলে মিলে তানিয়ার মরদেহে দড়ি বেঁধে নিজ ঘরের বাঁশের সাথে ঝুলিয়ে দেয়। এরপর ঘরের গেটে তালা-চাবি ঝুলিয়ে বাহিরে গিয়ে চিৎকার করে প্রতিবেশীদের জানান তানিয়া গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তানিয়ার মাথায় আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে যখম অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। ততক্ষনে তানিয়ার স্বামীসহ পরিবারের লোকজন পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
প্রতিবেশী আনোয়ার ও তোহিদুল বলেন, যেহেতু ফেরদাউস এর আগে অন্য লোককে হত্যা করে জেল খেটেছে, আর স্ত্রীকে হত্যা করা তার কাছে কোন বিষয় না। সে একজন নিশাখোর। তার দারা সবকিছুই সম্ভব।
আরেক প্রতিবেশী বাবু বলেন, দ্বিতীয় স্ত্রীর জন্য তানিয়াকে মারপিট করে হত্যা করা হয়েছে। সে আত্মহত্যা করেনি।
তানিয়ার বাবা জিয়াউর রহমান বলেন, আমার নিরপরাদ মেয়েকে নির্যাতন করে সকলে মিলে হত্যা করেছে। আমি ওদের সকলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করবো। মেয়ে হত্যার বিচার চাই।

কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ খাঁন বলেন, আসলে এটা হত্যা না আত্মহত্যা এই মহুর্তে বলা যাচ্ছেনা। তবে মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়না তদন্ত রিপোট হাতে পেলেই আসল রহস্য জানা যাবে। তবে ঘটনার পর থেকে ওই পরিবারের সকলে পলাতক রয়েছে। মেয়ের বাবা বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দাখিল করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ