• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

জেলায় জেলায় গডফাদারদের তালিকা

সিসি ডেস্ক, ৬ ফেব্রুয়ারী।। দেশের জেলায় জেলায় গজিয়ে ওঠা গডফাদারদের তালিকা করা হচ্ছে। দুদকের এখতিয়ার অনুযায়ী, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এ বিষয়ে কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। বৃহস্পতিবার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।
দুদকের মামলার হাত থেকে বাঁচতে আরো যারা বিদেশে পালিয়ে গেছেন, তাদের আনার পাশাপাশি পাচার করা অর্থ আদালতের মাধ্যমে ফেরত আনা হবে। দুদকের এখতিয়ার অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন জেলার গডফাদারদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
কমিশনের প্রতিটি কর্মী দুর্নীতি দমনের প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছেন। তাই এসব কাজে সক্ষমতার কোন অভাব হবে না বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমরা দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে ২২ জন গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে যাচ্ছি। এই কর্মকর্তাদের দায়িত্ব হবে জেলায়-জেলায় কারা গডফাদার, কারা সন্ত্রাস করে বিপুল অর্থের মালিক হচ্ছেন, কারা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অর্থ উপার্জন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য নেয়া। যার ভিত্তিতে আমাদের প্রধান কার্যালয় থেকে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেব।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গডফাদার বলতে আমরা বোঝাচ্ছি, যারা মাদকের ব্যবসা করছেন, সন্ত্রাস করছেন, যারা সরকারি সম্পত্তি বেদখল করছেন, অবৈধ সম্পদের মালিক হচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আমরা কঠোর অবস্থানে আছি এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। শুধু মেট্রোপলিটন কেন্দ্রীক নয়, আমরা চাই, মাঠ পর্যায়ে ব্যবস্থা নিতে।
গ্লোবাল ফাইনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী গেল পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার হয়ে গেছে। আমদানী রপ্তানির সময় ওভার বা আণ্ডার ইনভয়েজ করে এই টাকা পাচার করা হয়েছে। আর ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরুর পর অবৈধ সম্পদের মালিকরা নিজেরাই বিদেশে পালিয়ে যেতে শুরু করে। এদের মধ্যে যুবলীগ নেতা এনামুল হক ও রুপন ভূঁইঞা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন।

উৎস: ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ