• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

জয়পুরহাটে চিকিৎসাসহ খাদ্য সামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষদের পাশে চিকিৎসকরা

জয়পুরহাট প্রতিনিধি, ০৫ এপ্রিল।। জয়পুরহাটে করেনা ভাইরাসের কারনে শ্রমজীবি মানুষরা এখন কার্যত ঘরবন্ধী অবস্থায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন, বিশেষ করে যারা দিন মজুর, তাদের অবস্থা আরো করুন। এমন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের শিকার অসহায় মানুষগুলোর জন্য সরকারি অনুদানের ঘোষনা থাকলেও ত্রান সামগ্রী পৌঁছাচ্ছে ধীরগতিতে। এ অবস্থায় কিছু ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে দেখা গেছে অসহায় মানুষদের পাশে যারা করোনা চেয়ে ক্ষুদার আতঙ্কে উৎকন্ঠায় রয়েছেন।

এই মানবিক সেবার উদ্দেশ্যে জয়পুরহাট বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন (বিএমএ) ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) এক দল চিকিৎসক চিকিৎসা ও খাদ্য সাামগ্রী নিয়ে করোনার কারনে বর্তমানে কর্মহীন ও অসহায় মানুষদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। দু’টি চিকিৎসক সংগঠনের নেতারা আর্থিক ভাবে অক্ষম মানুষদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি প্রতি জনকে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি লবন, আধা কেজি ভোজ্য তেল ও ১টি সাবান দিয়ে যাচ্ছেন। আজ থেকে এ কর্মসূচি শুরুর দিনে ১৫০ জনকে এ ধরনের মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়।

হত দরিদ্রদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরন কাজে অংশ গ্রহন করেন- বিএমএ জয়পুরহাট জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ মোজাম্মেল হক, সাধারন সম্পাদক ডাঃ কে এম জোবায়ের গালীব, স্বাচিপ এর জয়পুরহাট জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ডাঃ আনোয়ার হোসেন, সহকারি অধ্যাপক (মেডিসিন) ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক সহ  ‍দুটি চিকিৎসক সংগঠনের নেতৃবর্গ।

আজ থেকে শুরু হওয়া এ ধরনের মানবিক সহায়তা এই দুযোর্গকাল পর্যন্ত চালিয়ে যাবেন বলে জানান চিকিৎসক নেতারা।

বাস টামনিাল এলকার বৃদ্ধা ছফুরা বেগম জানান, ‘ বাবা প্রতি দিন সন্ধ্যায় রাস্তার মোড়ে সিদ্ধ ডিম ও পিঁয়াজ, ঝাল ও সরিষার তেল দিয়ে ভাজা ডিম বিক্রি করে যা আয় হতো তা দিয়ে সংসার চালাাতাম, কিন্তু করুনা (করোনা) ডাইনী সর্বনাশ করল, এখন ঘরে থাকতে হচ্ছে, পেট তো আর চলে না রে বাবা’, এই ডাক্তার বাজানরা যা দিল তা ক’দিন চলবে, এরপর কি খাব বাবা।’ বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন বৃদ্ধা ছফুরা।

জেয়পুরহাট রেলবস্তির আসলাম, সিমেন্ট ফ্যাক্টরী সড়কের হারুন মিয়া, ষ্টেশন সড়কের ভ্রাম্যমান ভিক্ষুক আমেছা বিবিসহ অনুদান প্রাপ্ত অনেকে এমন মন্তব্য করে বলেন, বিভিন্ন স্থানে সরকারি অনুদান দেওয়ার কাজ চললেও তাদের মত অনেকে এখনো সেই সহায়তা পাননি। তাই করোনা ভাইরাস মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা প্রয়োজন মত সরকারি-বেসরকারি ত্রান সামগ্রীুর দাবী জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ