আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ সুমাত্রায় ভয়ানক এক আগ্নেয়গিরি শনিবার অগ্ন্যুৎপাত শুরু করেছে। পার্শ্ববর্তী ২ কিলোমিটার এলাকা অগ্ন্যুৎপাতের ছাই আর কাঁকরে ভরে গেছে। অসংখ্য মানুষ গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৪ জন নিহত হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া ছোট বড় ১৩০টি সচল আগ্নেয়গিরির মধ্যে একটি সিনাবাং, যেটি শনিবার ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতে ফেটে পড়ে। এ পর্বত থেকে ছিটকে বেরুনো পাথরের টুকরো আর ছাই আশপাশের অন্তত ২ কিলোমিটার অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। ১৪ জন নিহতদের মধ্যে ৩ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদের মধ্যে ২ জন শিশু ও একজন স্কুল শিক্ষিকা। দেশটির জরুরী বিভাগের মুখপাত্র সুতোপো পুরোয়ো নুগোরোহো বিষয়টি নিশ্চিৎ করেছেন।
২০১৩ এর সেপ্টেম্বর মাসে সিনাবাং থেকে থেকে তার অগ্ন্যুৎপাতের লক্ষণ প্রকাশ করেছিল। তখন সাবধানতা বশতঃ অসংখ্য মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া গেছে। এরপর দু মাস পেরিয়ে গেলে গ্রামবাসী পরিস্থিতি নিরাপদ ভেবে আবার ফিরে আসতে শুরু করেছিল। গতকাল শুক্রবারও অনেকেই ফিরে এসেছিল।
এর আগে ২০১০ সালে ৪০০ বছরের দীর্ঘ বিরতির পর পর্বতটি অগ্ন্যুৎপাত ঘটিয়েছিল। সে ঘটনায় ২ জন নিহত ও ৩০,০০০ গৃহবন্দী হয়ে পড়েছিল।
উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন অতিরিক্ত উত্তাপ আর ছাইয়ের কারণে বন্দী ও আহতদের উদ্ধারের জন্যে অভিযান চালানো খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অন্য সব সক্রিয় আগ্নেয়গিরির প্রতি নজর রাখা হলেও ২০১০ সালে একবার অগ্ন্যুৎপাত হয়ে যাওয়ার কারণে সিনাবাংকে ততটা গুরুত্বের সাথে নেয়া হয় না, যেটা এখন শোধরানোর অতীত এক ভুল।
ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতে পর্বতের শরীর ফেটে লাভা বেরিয়ে পড়ছে
ঘন ছাইয়ে ঢেকে গেছে আশপাশের ২ কিলোমিটার অঞ্চল
উৎস: বাংলামেইল