• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

পুলিশের রাবার বুলেট-কাঁদানে গ্যাসে ২০ শিক্ষার্থী আহত

RUনিউজ ডেস্ক: বর্ধিত ফি স্থগিতের ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে সান্ধ্য কোর্স বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ধর্মঘটে উত্তাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। দাবি পুরোপুরি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলেন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এদিকে, রোববার আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়েছে পুলিশ। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা রোববার সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ-মিছিল করছিলেন। সকাল ১০টার দিকে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে সমাবেশ করতে থাকেন।

অপরদিকে আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সব ধরনের বর্ধিত ফি বাস্তবায়ন স্থগিত করার বিষয়ে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাম্পাসে আনন্দ মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। তারা মিছিল নিয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে যায়। একপর্যায়ে সেখানে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমাবেশের ভেতর তারা জোর করে ঢুকে পড়েন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এর পরই সাধারণ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়তে থাকে পুলিশ। এতে অন্তত ২০ জন সাধারণ শিক্ষার্থী আহত হন। তাঁদের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে রোববারও বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।

সকাল সাড়ে ৭টার দিকে  সব অ্যাকাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ভবনগুলোর আশেপাশে অবস্থান নেন।

আবাসিক হলগুলো থেকেও খন্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের টুকিটাকি চত্বরে জড়ো হন কয়েক হাজার শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯টার দিকে পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে এবং দ্বিতীয় বিজ্ঞান ভবন ও তৃতীয় বিজ্ঞান ভবনের তালা ভেঙে দেয়।

পুলিশ রবীন্দ্র কলা ভবন ও শহীদুল্লাহ কলা ভবনের তালা ভাঙার চেষ্টা করলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়।

এক পর্যায়ে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দিয়ে তাদের মাইক কেড়ে নেয় বলে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন।

প্রক্টর তারিকুল হাসান মিলন রোববার  বলেন, “শিক্ষার্থীদের একটি দাবি মেনে নেয়ার পরও তারা আন্দোলন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নৈরাজ্য সৃষ্টি করার পাঁয়তারা করছে- এটা মোটেই ঠিক নয়।”

সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা বর্ধিত ফি স্থগিত করলেও তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে। তবে এই ক্ষেত্রে সান্ধ্যকোর্স বন্ধ হবে না।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান, আইন ও কলা অনুষদের সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্স চালু ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসহ বিভিন্ন ফি দুই থেকে পাঁচ গুণ পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

এরপর গত ১৬ জানুয়ারি থেকে এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। ‘বর্ধিত ফি ও সান্ধ্যকোর্স বিরোধীশিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে এই আন্দোলন বৃহস্পতিবার ধর্মঘটে গড়ায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ