• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

শিশু রিয়া মনিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ পুঁতে রাখে ওরা

সিসি ডেস্ক, ০৩ নভেম্বর ।। প্রায় তিন মাস আগে পাঁচ বছরের রিয়া মনিকে ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যা করে লাশ পরিত্যক্ত ভবনের বালুর নিচে পুঁতে রাখে রাসেল ওরফে রাহুল (১৪) এবং সবুজ (১৪)। সম্প্রতি কাশিমপুর থানার পুলিশ সেখান থেকে শিশুর কঙ্কাল ও হাফ প্যান্ট উদ্ধার করে। এ ঘটনার সূত্র জানান যায়, রাহুল ও সবুজ ওই শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ পুঁতে রাখে। এ ঘটনায় জড়িত থাকায় ওই দুই কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

গাজীপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, মহানগরের কাশিমপুর থানার বাগবাড়ি এলাকার মনোয়ারের বাড়িতে পরিবারর নিয়ে ভাড়া থাকেন রফিকুল ইসলাম। তার গ্রামের বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলার থলকুড়ি এলাকায়। রফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী স্থানীয় পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। ৯ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রফিকুল ইসলামের ৫ বছরের মেয়ে রিয়া মনিকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ার ছেলে রাসেল ও তার বন্ধু সবুজ ঘরে ডেকে নেয়। সেখানে তারা শিশুটিকে ধর্ষণ করে। শিশুটি ধর্ষণের কথা বলে দেওয়ার কথা বললে তাকে গলা টিপে হত্যা করে ধর্ষক দুজন। পরে লাশ পার্শ্ববর্তী কফিল উদ্দিন ওরফে কালামের নির্মাণাধীন পরিত্যক্ত বিল্ডিংয়ের বালুর নিচে চাপা দিয়ে রাখে।

তিনি জানান, এ ঘটনার প্রায় তিন মাস পর গত ২৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় বালুর নিচ থেকে শিশুর মাথার খুলি, চোয়ালের হাড়সহ ১৯টি হাড়, চুল ও একটি হাফ প্যান্ট উদ্ধার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি’র) কাশিমপুর থানা পুলিশ। স্থানীয়ভাবে শিশুকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হলেও তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরদিন পুলিশ বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করে। পিবিআই মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে এ খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রবিবার (১ নভেম্বর) গভীর রাতে রাসেলকে যশোরের গ্রামের বাড়ি থেকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদকালে রাসেল স্বীকার করে উদ্ধারকৃত কঙ্কালগুলো রিয়া মনির। পরে রাসেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বন্ধু সবুজকে সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে গাজীপুর থেকে আটক করা হয়। পরে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয আদালতে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ