• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

মাস্ক পরা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কড়া নির্দেশনা

সিসি ডেস্ক ।। মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা নিয়ে আরও কড়া দিকনির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। নতুন এই নির্দেশনায় কভিড-১৯ সংক্রমণের বিস্তার ঘটা এলাকাগুলোর স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের প্রত্যেকেরই মাস্ক পরা এবং ভালো বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা নেই- এমন ঘরেও অবশ্যই মাস্ক পরতে বলা হয়েছে। বুধবার সংস্থাটি এ নির্দেশনা জারি করেছে।

গত জুনেও ডব্লিউএইচও ভাইরাস সংক্রমিত হওয়া এড়াতে বিভিন্ন দেশের সরকারের কাছে জনগণকে জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় (ঘরের ভেতরে বা বাইরে) সব সময় কাপড়ের মাস্ক পরার পরামর্শ দেওয়ার অনুরোধ করেছিল। কিন্তু সে অনুরোধ যে সরকার বা জনগণ খুব একটা আমলে নেয়নি, তার প্রমাণ মহামারির বর্তমান পরিস্থিতি। জুনের পর মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়।

ডব্লিউএইচওর নির্দেশনায় বলা হয়, মহামারির বিস্তার ঘটা এলাকার দোকান, কাজের জায়গা বা স্কুলের মতো বদ্ধ কক্ষে, এমনকি শিশু-কিশোরদেরও সব সময় মাস্ক পরিয়ে রাখা উচিত। বাড়িতে বদ্ধ কক্ষে কারও সঙ্গে দেখা করার সময়ও মাস্ক পরতে হবে। বাইরে সবসময় মাস্ক পরতে হবে এবং বাতাস চলাচলের খুব ভালো ব্যবস্থা আছে- এমন কক্ষ হলেও তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব না হলে সেখানেও অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।

এ ছাড়া যেখানে কভিড-১৯-এর বিস্তার ঘটেছে, সেখানে সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে সবাইকে মেডিকেল মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। এমনকি অন্য রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সময়ও মাস্ক পরতে হবে। রোগীর দর্শনার্থীদের, বহির্বিভাগের রোগী এবং ক্যাফেটেরিয়া ও স্টাফ রুমের মতো হাসপাতালের কমন এলাকায়ও একই দিকনির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের সম্ভব হলে এন৯৫ মাস্ক পরতে হবে। তবে শারীরিক কসরত করার সময় মাস্ক ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছে ডব্লিউএইচও, বিশেষ করে যাদের হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা আছে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ