• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

দৃশ্যমান পদ্মা সেতুর ৬ কিলোমিটার

সিসি ডেস্ক ।। পদ্মা সেতুতে ৪০তম স্প্যান ‘টু-ই’ সফলভাবে বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সেতুর ১১ ও ১২ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয়েছে এ স্প্যানটি। ৪০তম স্প্যানটি বসানোয় সেতুর ৬ কিলোমিটার এখন দৃশ্যমান। আর মাত্র একটি স্প্যান বসানো হলেই দৃশ্যমান হবে পুরো পদ্মা সেতু।

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটের দিকে সেতুর ১১ ও ১২ নম্বর পিলারের ওপর ৪০তম স্প্যান ‘টু-ই’ সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক (মূল সেতু) দেওয়ান আবদুল কাদের।

৩৯তম স্প্যান বসানোর ৮ দিনের মাথায় বসানো হলো এ স্প্যানটি। আর এখন ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি স্প্যান বসানো হলেই ৬ হাজার ১৫০ মিটার পদ্মা সেতুর মূল অবকাঠামোর পুরোটাই দৃশ্যমান হবে। গেল দুই মাসে সেতুতে ৮টি স্প্যান বসিয়ে রেকর্ড তৈরি করেছেন দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীরা। বিজয়ের মাসে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে স্প্যান বসানোর কাজ সম্পন্ন করার ব্যাপারে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারে প্রথম স্প্যান বসানো হয়। পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রয়োজন হবে ২ হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাব। এছাড়া ২ হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে। মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে বসানো স্প্যানগুলোতে এসব স্ল্যাব বসানো হচ্ছে।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে পদ্মা সেতুর কাঠামো। সেতুর ওপরের অংশে যানবাহন ও নিচ দিয়ে চলবে ট্রেন। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ