সিসি নিউজ ।। কৃৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, “একসময় ২০ থেকে ২৫ হাজার টন আলু বিদেশ থেকে আমদানী করা হতো। কিন্তু দেশে নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করে বীজের আমদানী নির্ভরতা কমে গেছে”।
আজ বুধবার দুপুরে নীলফামারীর ডোমার কৃৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএডিসি বীজ আলু উৎপাদন খামার পরিদর্শণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ মেট্রিকটন আলু উৎপাদন হলেও উৎপাদিত সেই আলুতে পানির পরিমান বেশি থাকায় তা থেকে চিপস ও ফ্রেন্সস ফ্রাইসহ উন্নতমানের আলুজাত পন্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়না। সম্প্রতি পানির পরিমান কম রয়েছে এমন জাতের কয়েকটি আলুর জাত আনা হয়েছে। এসব আলু দিয়ে উন্নতমানের আলুজাত খাদ্যসামগ্রী উৎপাদন করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানী করা সম্ভব হবে”।
এসময় মন্ত্রী রপ্তানী ও শিল্পে ব্যবহারযোগ্য আলুর প্লট, আলু ফসলের মিউজিয়াম, ড্রাগন ও খেজুর বাগান পরিদর্শন করেন।
কৃষি সচিব মেসবাহুল ইসলাম, বিএনডিসির চেয়ারম্যান সায়েদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, বারির মহাপরিচালক নাজিরুল ইসলাম, গম ও ভূট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. এছরাইল হোসেন, জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোখলেছুর রহমান বিপিএম, পিপিএম ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ওবায়দুর রহমান মন্ডল, ডোমার বিএডিসির উপ-পরিচালক আবু তালেবসহ অন্যান্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।