• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

সৈয়দপুরে সরকারী রাস্তা দখলের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

সিসি নিউজ ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকারি রেকর্ডভুক্ত চলাচলের রাস্তা দখলমুক্ত করার পর আবারো তা দখল করার প্রতিবাদে তৌফিকুল ইসলাম লিমনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় এক রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে করেন দখলকারীর প্রতিবেশি আব্দুর রাজ্জাক।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শহরের নতুন বাবুপাড়া মেধাবিকাশ স্কুল সংলগ্ন সরকারি ৪ শতক জমি লীজ নিয়ে বাড়ি তৈরি করে বসবাস করছি। চলাচলের সুবিধার্থে সরকার আমার ওই জমি এবং পাশে লীজ নেয়া জমির মাঝে ১৬৪ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ১০ ফুট প্রস্থ রাস্তা বরাদ্দ দেয়। যা বিএস রেকর্ডভুক্ত হয়েছে। কিন্তু প্রতিবেশি মকবুল হোসেনের ছেলে তৌফিকুল ইসলাম রাস্তা সংলগ্ন আমার লীজকৃত বসত বাড়ি ঘরের দেয়ালের সঙ্গে দেয়াল ঘেষে স্থাপনা নির্মাণ করে রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছে । এতে চলালাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমি উপজেলা কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করি। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাসিম আহমেদ বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়রি) ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। কিন্তু ইউএনও মহোদয় ঘটনাস্থল থেকে যাওয়ার পর পরই লিমন আবারো চলাচলের ওই রাস্তাটি দখল করে। এছাড়া আমি অভিযোগ দেয়ায় সে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করছে এবং আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, লিমন এর আগে নিজেকে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর নেতা দাবি করে সাংবাদ সম্মেলন করে আমার বিরূদ্ধে নানা মিথ্যা তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করেছে। ছাত্র মৈত্রীর উপজেলা কিংবা জেলা কমিটির কোথাও নেই সে। অথচ এই পরিচয়ে সে প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্ম করে চলেছে। তার অপকর্মের সংবাদ এর আগে স্থানীয়‘ সাপ্তাহিক দাগ’ পত্রিকাতে প্রকাশ হয়েছে। গত ১০ জানুয়ারি অবৈধ সমাবেশ করার নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তার ২ হাজার টাকা জরিমানা করে। সে নিয়মিত আমাকেসহ আমার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এতে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এছাড়া রাস্তা বন্ধ থাকায় পারছি না চলাচল করতে। সংবাদ সম্মেলরন তিনি এর প্রতিকার দাবি করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ