• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বাদাম বিক্রেতা লতা রায়ের দায়িত্ব নিলেন সাংসদ নূর

সিসি নিউজ ।। মেডিকেলে পড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে একজন মেয়ে হয়েও বাদাম বিক্রির পথ বেছে নেন নীলফামারীর সদর উপজেলার গোড়গ্রাম নিজপাড়া এলাকার লতা রায় (২০)। কিন্তু বাদাম বিক্রির সেই পথকে আর বেশি দিন আঁকড়ে ধরে থাকতে হলনা তাকে। সাবেক মন্ত্রী ও নীলফামারীর সদর আসনের সাংসদ আসাদুজ্জমান নূর মেয়েটির স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এগিয়ে এলেন। সাংসদ দায়িত্ব নেয়ায় এখন দুশ্চিন্তামুক্ত মা হারা অসহায় ও অদম্য মেধাবী ওই শিক্ষার্থী।
সংগ্রামী লতা রায় নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে এবছর বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসিতে পেয়েছে এ-প্লাস। তার বাবা জগেন রায় একজন দিনমজুর। কাজ করেন ইটভাটায়। ছোট বেলায় তার মা চলে গেছেন না ফেরার দেশে। সৎ মায়ের মাঝে বেড়ে ওঠা তার। এইচএসসি রেজাল্ট হাতে পাওয়ার পর ডাক্তার হওয়ার আশা বুকে নিয়ে মানুষ মানুষের জন্য নামে ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় ঢাকায় ৩ মাস কোচিং চালিয়ে যায় লতা রায়। ফাউন্ডেশনের দেওয়া টাকায় ঢাকায় কোন রকম দিন চলছিল তার। সেখানে এক পর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। ফিরে আসে গ্রামের বাড়িতে। বাড়িতে অভাবের সংসারে এসে তার ওষুধ কিনতে ব্যর্থ হয় দিনমজুর বাবা। আত্মীয়-স্বজন সবাই মুখ ফিরিয়ে নেয়। নিজেকে নিয়ে পড়ে সে মহাদুশ্চিন্তায়। কি করবে ভেবে উঠতে পাচ্ছিলনা সে। তাই বাধ্য হয়ে সংসার ও নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অর্থ জোগাতে রাস্তায় নেমেছিল বাদাম বিক্রি করতে। সে যে প্রতিষ্ঠানে পড়া-লেখা করেছে সেই প্রতিষ্ঠানে শুরু করে বাদাম বিক্রি। লোক চক্ষুর আড়ালে বাদাম বিক্রিতে নেমে তাকে পরিধান করতে হয় বোরখা।
লতা রায়ের বাদাম বিক্রির বিষয়টি মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারেন স্থানীয় সংসদ ও সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর। তিনি ঢাকায় থাকায় বিষয়টি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওয়াদুদ রহমান ও জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারন সম্পাদক ইসরাত জাহান পল্লবীকে তার বিস্তারিত খোঁজ খবর নিতে লতার বাড়িতে পাঠান। সেখানে আসাদুজ্জামান নুর মোবাইলে লতার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন এবং তার মাথার ব্যথার চিকিৎসা সহ লেখা-পড়া দায়িত্ব নেন। পাশাপাশি তাৎক্ষনিকভাবে আর্থিক সহায়তাও দেন।
সাংসদ নূর তার দায়িত্ব নেয়ায় আবেগ আপ্লুত হয়ে লতা সিসি নিউজকে বলেন, একটি বড় হতাশা থেকে মুক্তি পেলাম। আপনারা আমার জন্য প্রার্থনা করবেন আমি যেন ভর্তির সুযোগ পেয়ে একজন চিকিৎসক হতে পারি। চিকিৎসক হতে পারলে এলাকার গরীব দুখি মানুষজনের চিকিৎসা সেবা দিতে পারবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ