• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

ডোমারে স্বাধীনতার দিবসের অনুষ্ঠান বর্জনের হুমকি মুক্তিযোদ্ধাদের

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি ।। নীলফামারীর ডোমার উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদকে স্বাধীনতা বিরোধী পরিবারের সন্তান উল্লেখ করে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে তার হাতে জাতীয় পতাকা উত্তোলণ না করার দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। তার হাতে মহান জাতীয় পতাকা উত্তোলণ করা হলে আসন্ন স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

আজ মঙ্গলবার এই দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রথমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা শবনমকে এবং পরে জেলা প্রশাসকের হাতে তুলে দেন মুক্তিযোদ্ধারা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার পরিবারের সন্তান। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তোফায়েলের পরিবারের অধিকাংশ সদস্য সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো। যার ফলে গত ২০১৯ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় তোফায়েলের বাবা, দাদা ও নানার নাম তালিকাভূক্ত ছিলো। তাই স্বাধীনতা বিরোধী পরিবারের সন্তান তোফায়েল আহমেদ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের পতাকা উত্তোলণ করলে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা অনুষ্ঠান বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এসময় ডোমার উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরন নবী, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার এম. এ. কবির, সাবেক সহকারী কমান্ডার গোলাম রব্বানী ও ফারুক প্রধানসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলণের জন্য তোফায়েল আহমেদের নাম ঘোষণা করায় সে অনুষ্ঠান বর্জন করেছিলো স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ