• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

৩৬ বছর ভাত খান না জোহরা বিবি!

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। জোহরা বিবির বয়স ৮৫ পেরিয়েছে। জন্ম দিয়েছেন ১৫ সন্তান। এর মধ্যে পাঁচ সন্তান মারাও গেছেন। এখনো দিব্যি চলতে পারেন তিনি। তবে জীবনের প্রায় অর্ধেকটা সময় ভাত না খেয়ে কাটিয়েছেন জোহরা বিবি। এখন চা-বিস্কুট খেয়ে দিন কাটে তার। ভাত না খেয়ে থাকার ব্যাপারটি পরিবারের কাছে স্বাভাবিক। তবে অপরিচিতদের কাছে তার ৩৬ বছর ভাত না খেয়ে থাকার বিষয়টি আশ্চর্যজনক মনে হয়।

জোহরা বেগম সাতক্ষীরার শহরতলী কুখরালী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ৩৬ বছর ভাত না খেয়েও ভালো আছেন। সকালের নাস্তা হিসেবে খান চা-বিস্কুট, দুপুরে মুড়ি ভিজিয়ে তরকারি এবং রাতে আবারো চা-বিস্কুট। মাঝে মাঝে মাছ-মাংস খান তিনি।

জোহারা বিবি বলেন, ‘আমার আব্বা মান্দার মোড়ল ভারতের বশিরহাট থানার মেজ দারোগা ছিল। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সাকচুড়া গ্রামে ছিল আমাদের বাড়ি। ছোট বেলায় আব্বা আমাকে মোড়ল পরিবারে বিয়ে দেয়। আমার বয়স যখন ১৩ বছর তখন আমার বড় ছেলের জন্ম হয়। আল্লাহ আমার ১৫ জন সন্তান দিয়েছেন’।

তিনি বলেন, ‘আমার ছোট ছেলের জন্মের দু-তিন বছর পর আমার পেটে অনেক যন্ত্রণা হতো। ছেলেরা বিভিন্ন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পেট কাটতে (অপারেশন) হবে জানায়। কিন্তু আমিতো পেট কাটব না। পেটের যন্ত্রণায় আমার খাওয়া কমে যায়। তখন আমি শাক-সবজি, তরকারি আর মুড়ি খেতাম। ভাত না খাওয়ায় পেটের যন্ত্রণা ধীরে ধীরে কমে যায়। এরপর থেকে আমি আর কখনো ভাত খাইনি’।

জোহরা বিবির বড় ছেলে নুর ইসলাম মোড়ল জানান, ছোট বেলা থেকে তার (জোহরা বেগম) পেটে একটু ব্যথা-যন্ত্রাণা ছিল। ১৯৮৩-৮৪ সালের দিকে পেটের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায়। তাকে ডাক্তারের কাছে নিলে ডাক্তার জানায়, টিউমার হয়েছে অপারেশন করতে হবে। কিন্তু তিনি অপারেশন করবেন না। ডাক্তারের ওষুধ খায় এবং ভাত খাওয়া বাদ দেন তিনি। এতে তার পেটের যন্ত্রণা ধীরে ধীরে কমে যায়। উৎস: কালেরকন্ঠ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ