• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ফুল ব্যবসায়ীদের টার্গেট বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

Flowerনিউজ ডেস্ক: গত তিন চার মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতা আর হরতাল অবরোধে দেশের ফুল ব্যবসায় ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। আর তা শুকাতে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালবাসা দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে বেছে নিয়েছেন ফুল ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি আগামী ২৬ মার্চে স্বাধীনতা দিবসকেও সামনে রেখে তাঁরা ফুলের ব্যবসার কথা চিন্তাভাবনা করছেন।

এসব দিনে বেড়ে যায় ফুলের চাহিদা। তাই রাজধানীর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ফুল ব্যবসায়ীরাও প্রস্তুত এদিনে দেশের ফুলের চাহিদা পূরণে।

এ বিষয়ে গদখালী চাষী ও ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবুদর রহিম জানান, রাজনৈতিক অস্থিরতার পর এখন আবার নতুন করে ব্যবসা শুরু হয়েছে। মাঠের ফুল শহরে পাঠানো অব্যাহত রয়েছে। গদখালীতের প্রায় ৪০ শতাংশ ফুলের চাহিদা রয়েছে। বাকি ৬০ শতাংশ ফুল দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে আসন্ন ভালবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে ফুলের চাহিদা বাড়ছে। আগামী দিনগুলোতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকলে ভালবাসা দিবসে সামনে রেখে আগের ক্ষত শোকানো সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, শীত প্রায় শেষ। ফলে মাঠে থাকা ফুলের বাজারও শেষে দিকে। বছরের বাকি সময়টি গাদা, গোলাপ দিয়েই বাণিজ্য হয়ে থাকে। আর ভারত থেকে আমদানি করা ফুল দিয়েই সারা দেশের ফুলের চাহিদা পূরণ হয়ে থাকে।

রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বর্তমানে বাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সে সময় প্রায় প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন তা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে ফুল বিক্রির জন্য রাজধানীতে একটি স্থায়ী বিক্রয় স্থান প্রয়োজন। তা বাস্তবায়ন হলে দেশের ফুলের বাজার আরো সম্প্রসারিত হবে।

এছাড়া আগের তুলনায় ফুলের চাষের খরচও অনেক বেড়েছে। আগে যে জমি পাওয়া যেত ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায়। এখন সেই একই জমি লীজ নিতে হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায়। সেই সঙ্গে বেড়েছে আনুষাঙ্গিক অন্যান্য পণ্যের দাম। সার, কীটনাশকসহ সব কিছুর দাম সমন্বয় করে দাম না পেলে লোকসান ছাড়া কিছুই হবে না বলে জানান তিনি।

আসন্ন ভালবাসা দিবসকে সামনে রেখে এরই মধ্যে ফুলের বাজার নিয়ে আশাবাদি হয়ে উঠেছেন রাজধানীর শাহবাগের ফুল ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলছেন, চলমান বই মেলার কারণে এরই মধ্যে জমজমাট হয়ে উঠেছে শাহবাগ। সে সঙ্গে বাড়ছে ফুলের চাহিদা। আর আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে সামনে রেখে অনেকে দীর্ঘ দিন সংরক্ষণ করা যায় এমন ফুলের মুজদ নিয়েও ভাবছেন বিক্রেতারা।

শাহ নূর নামে শাহবাগের একজন ফুল বিক্রেতা জানান, দেশের অন্যান্য জাতীয় উৎসবের মতো এখন ভালবাসা দিবসেও ফুলের বেশ চাহিদা তৈরি হয়। এ দিনটিকে সামনে রেখে তখন ফুলের দামও বেড়ে যায়। গ্লাডিয়ার, গোলাপ, এগুলো ৩ থেকে ৪ দিন সংরক্ষন করা সম্ভব। অনেক বিক্রেতারা এ জাতীয় ফুল মজুদ করে রাখছে।          আইপোর্ট নিউজ , ছবি : কালের কণ্ঠ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ