সিসি নিউজ ডেস্ক ।। হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা মামুনুল হক পাকিস্তানি একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন-অর-রশিদ। এছাড়া বাবরি মসজিদের নামে সৌদি আরব, কাতার ও দুবাই থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা নিতেন তিনি।
রবিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
হারুন অর রশীদ বলেন, বিদেশি টাকায় উগ্র জঙ্গিবাদে উস্কানি দিয়ে মাদ্রাসার ছাত্রদের মাধ্যমে একদিকে জামায়াত ও অন্যদিকে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার নিদের্শনায় মওদুদী মতবাদের প্রচারণা চালিয়েছেন মামুনুল। তবে কত টাকা এনেছেন, তার পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলতে পারেননি তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতের তাণ্ডবসহ বিভিন্ন ঘটনায় ১৭টি মামলা রয়েছে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে। এছাড়া স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরবিরোধী আন্দোলনের সময় সহিংসতার মূলহোতা হিসেবেও মামুনুলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, ভগ্নিপতি নেয়ামত উল্লাহর মাধ্যমে ২০০৫ সালে মামুন পাকিস্তানে ৪৫ দিন ছিলেন। এ সময় সেখানে বিভিন্ন জঙ্গি কলাকৌশল ও মডেল শিখে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনাসহ সম্পতি দেশের বিভিন্ন জায়গায় উগ্রবাদী কায়দায় হাসপাতাল, সরকারি প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করেছে, পুলিশের গায়ে আঘাত করেছে, কিছু কোমলমতি বাচ্চাদের হত্যা করেছে।
তেজগাঁও বিভাগের এই উপ-কমিশনার আরো বলেন, মামুনুলের শ্বশুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি মেজর ডালিমের ভায়রা ভাই। পাকিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠী, গ্রেনেড হামলার আসামি এবং জামায়াতের শীর্ষ দুই নেতার সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে কওমি মাদরাসার ছাত্রদের ব্যবহার করে সরকার উৎখাতের ছক এঁকেছিলেন মামুনুল হক।