মৃত চারজনেই হলেন দিনাজপুর জেলার সদর উপজেলার বড়বন্দর এলাকার কান্ত লাল সাহা (৬৫),ওয়াহেদ আলি(৬৫),মুরাদপুর এলাকার হারিসুল ইসলাম (৩০), মুন্সীপাড়া এলাকার খলিলুর রহমান(১০১)।
জানা গেছে, গত ২৫ এপ্রিল কান্ত লাল সাহা, হারিসুল ইসলাম, ওয়াহেদ আলী এবং ২৬ এপ্রিল খলিলুর এম এ আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। ভর্তি থাকা অবস্থায় তারা হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন।
রবিবার (২ মার্চ) সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা জায়,কান্ত লাল সাহা গত ১৩ এপ্রিল ভারত থেকে দেশে আসেন। ২৫ এপ্রিল এম এ আব্দুর রহিম হাসপালে ভর্তি হন এবং ১ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা জান। এ ছাড়া হাসমিন লুবা (৪৬) ও ঝর্ণ বেগম (৩৯) গত ২০ এপ্রিল ভারত থেকে বেনাপোল সিমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করেন।একটি প্রাইভেট কারে করে দিনাজপুরে আসেন। পরবর্তীতে ২৫ এপ্রিল এম এ আব্দরি রহিম মেডিকেল কলেজে করোনা পরিক্ষা করালে উভয়ে করোনা পজিটিভ আসে। উক্ত দুই ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ১১ জনকে নিজ বসতবাড়ীতে হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেছে আইন- শৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে, গত সপ্তাহ থেকে এ সপ্তাহে বেড়ছে হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগির ভর্তি সংখ্যা। গত ২৭ এপ্রিল সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এর তথ্য মতে, হাসপালে ভর্তি ছিলেন ১৭ জন। কিন্তু ২ মার্চ তা বেড়ে দাড়িয়েছে ৩৮ জনে। করোনা আক্রান্ত রোগিদের চিকিৎসার জন্য এম এ আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে হাসপালে শয্যা সংখ্যা শতকে বৃদ্ধি করা হয়েছে। গত ১১ এপ্রলি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সহকারি পরিচালক ডা. আবু রেজা মো. মাহমুদুল হক।
এছাড়া হোম আইসোলেশন রয়েছে ২৪২ জন। বর্তমানে করোনা আক্রান্ত রোগির সংখ্যা ২৮০ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল ২১৩ টি। ১৪০ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে ২০ জন। সদর উপজেলাতে ১৪ জন ,বিরলে ৩ জন,পার্বতীপুরে ২ জন, হাকিমপুরে একজন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ ২৩ জনসহ মোট সুস্থ ৫০১৮ জন। জেলাতে মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪০৩১৮ টি। মোট নমুনা পরীক্ষা ৩৭৬৬৯ টি।মোট করোনা আক্রান্ত ৫৪১৩ জন। মোট মৃত্যু বরণ করেছেন ১১৫ জন।