• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে সুবিধাবঞ্চিত শতাধিক শিশু পেলো নতুন জামা আর হাতে ঈদ সেলামী

সিসি নিউজ ।। আট বছরের সামির। বাবা নেই। করোনাকলে দিন মজুর মা কর্মহীন হয়ে পড়ায় ঈদের নতুন জামা নেওয়াতে ছিল শংকা। অনেকদিন ধরে তার নতুন কোনো জামা নেই, এই জামা পেয়ে তার যে কী আনন্দ!
ঠিক এরুপ এতিম, অসহায় আর লকডাউন পরিস্থিতির শিকার শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে ঈদের নতুন জামা আর ঈদের সেলামী তুলে দিয়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আমাদের প্রিয় সৈয়দপুর।
সোমবার (১০ মে) সকালে শহরের গোলাহাট রাজ্জাকিয়া গফুরিয়া মাদ্রাসা মাঠে শিশুদের ঈদের ওই নতুন জামা উপহার দেয় সংগঠনের সদস্যরা। সাংবাদিক এম আর আলম ঝন্টু প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে শিশুদের হাতে নতুন পোশাক তুলে দেন।
এতে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান সরকার মুন্না, গফুরিয়া মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট, রফিকুল ইসলাম, আমাদের প্রিয় সৈয়দপুর সংগঠনের ওয়াকার আনসারী, এসরার আনসারী, নওশাদ আনসারী, সামিউল আলিম, রাজা, সাজু, রাজা, প্রমুখ।
হাতে নতুন পোশাক আর সেলামী পেয়ে মহাখুশি অসহায় শিশু কাশফি। বাবা লকডাউনে কর্মহীন। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদ। এখনো তার জন্য নতুন কোনো জামা কিনতে পারেনি বাবা। আমাদের প্রিয় সৈয়দপুর সংঠনের নতুন পোশাক পেয়ে তার খুবই খুশি লাগছে। এখন ঈদ তার ভালই কাটবে তার।
সংগঠনের এসরার আনসারী বলেন, এই বছরে ১১৪ জন অসহায় মানুষ আর শিশুদের ঈদের নতুন পোশাকের ব্যবস্থা করেছি আমরা। কোভিডের কারনে বড় আনুষ্ঠানিকতা আয়োজন না থাকলেও আমাদের সংগঠনের সদস্যরা অসহায়দের বাসায় বাসায় নতুন পোশাক পোছে দিচ্ছে। বাসায় বাসায় পোছে দেওয়ার এই ধারাবাহিকতা ঈদের আগের দিন পর্যন্ত থাকবে। উপহার হিসেবে সামান্য হলেও শিশুদের মুখের হাসি আর ওদের প্রাপ্তির আনন্দই আমাদের স্বার্থকতা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ