• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডোমারে ৩১ হাজার শিক্ষার্থীর বাড়ীর কাজ পৌঁছে দিচ্ছে শিক্ষকরা

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি ।। নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় ১৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০ হাজার ৬৭৯ জন শিক্ষার্থীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে সিলেবাসের আওতাধীন ওয়ার্কশীট পৌঁছে দিচ্ছেন শিক্ষকরা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এক সপ্তাহের পড়াশুনা ও মূল্যায়ন পত্র তাদের অভিভাবকদের বুঝিয়ে দেয় প্রাথমিক শিক্ষকরা। পরের সপ্তাহে আবার সেই মূল্যায়ন পত্র নিয়ে নতুন ওয়ার্কশীট দেয়া হবে। করোনা পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষা না হলে, সেই মূল্যায়ন পত্রের ভিত্তিতেই পরবর্তী শ্রেনীতেহ উত্তির্ণ হবে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকদের এ কার্যক্রমে অভিভাবকরা খুশি।

বাগডোকড়া বসুনিয়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মায়েদুল বসুনিয়া তূর্য্য বলেন, ছাত্র ছাত্রীদের ক্লাস নেয়ার জন্য আমরা অধীর আগ্রহে আছি। করোনার কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। তাই শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশে আমরা সিলেবাসের আলোকে এক সপ্তাহের পড়ালেখা ও মূল্যায়ন পত্র শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছি।

হাজী নছিমুদ্দিন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (চঃদঃ) আমিনুল ইসলাম বাবু বলেন, বিদ্যালয়ের বিষয় ভিত্তিক শিক্ষকরা ছাত্রছাত্রীদের বাড়ির কাজ ও মূল্যায়ন পত্র তৈরী করছে। আবার প্রতি সপ্তাহের মূল্যায়ন পত্র সংগ্রহ করে, সেখানে নম্বর দেওয়া হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহের মূল্যায়নের ফলাফল প্রতিটি ছাত্রের আলাদা করে সংরক্ষন করা হবে।

শহীদ স্মৃতি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র সিফাত ইসলাম বলেন,  অনেক দিন হতে বাড়িতে কোন পড়ালেখা করি না। ইদের পর হতে স্যাররা বাড়ির কাজ দেওয়ায় এখন পড়ালেখা করছি।

সিফাতের বাবা শরিকুল ইসলাম (৪৩) বলেন, স্কুলের শিক্ষকরা আমার ছেলেকে পড়াশুনা করার জন্য বাড়ির কাজ দিয়ে যাচ্ছে। সেখানে মূল্যায়ন পত্রে আমরা বাড়িতে পরিক্ষা নিচ্ছি। আবার শিক্ষকরা সেই মূল্যায়ন পত্র নিয়ে গিয়ে নতুন বাড়ির কাজ দিয়ে যাচ্ছে। এ কার্যক্রমের প্রসংশা করে তিনি বলেন, এই কাজটা আরো আগে করা উচিৎ ছিল।

ডোমার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমীর হোসেন জানান, উপজেলার ১৫৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০ হাজার ৬৭৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষকরা তাদের বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের পড়ালেখার কৌশল বুঝিয়ে দিচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ওই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই পরবর্তী ক্লাসে ছাত্রছাত্রীদের উর্ত্তীন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ