• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

করোনার জিনোম: সংক্রমণের ৮০ শতাংশই ভারতীয় ধরন

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। দেশে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের ৮০ শতাংশেরই শরীরে ভাইরাসটির ভারতীয় ধরন হিসেবে পরিচিত ‘ডেল্টা ভেরিয়েন্ট’ শনাক্ত হয়েছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। ৫০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করে ৮০ শতাংশই ভারতীয় ধরন শনাক্ত করা হয়েছে।

শুক্রবার সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জিনোম সিকোয়েন্স পরীক্ষা করে প্রাপ্ত এক ফলাফলের ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তারা। আইইডিসিআর এবং ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস (আইডিএসএইচআই) এ গবেষণা চালিয়েছে। ভারতীয় ধরন হিসেবে পরিচিত ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের প্রমাণও পাওয়া গেছে ওই গবেষণায়।

গবেষণায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ১৬ নমুনায় ১৫টি, ঢাকার ৪টি নমুনার ২টি ও গোপালগঞ্জ থেকে ৭ নমুনার সবকটিই ভারতীয় ভেরিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ আসা সাতজনের দেহে ভারতীয় ধরন শনাক্ত করা হয়েছে।

ভারতীয় (ডেল্টা) ধরনের বয়সভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আক্রান্তদের এক-চতুর্থাংশই (১০ জন) ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী। ৩১ থেকে ৪০ বছর এবং ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী রয়েছেন ২০ শতাংশ করে। ১৮ শতাংশের বয়স ১০ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। ৭ শতাংশের বয়স ১০ বছরের নিচে। আর ১০ শতাংশ ৫০-ঊর্ধ্ব বয়সী।

ভারতীয় (ডেল্টা) ধরন পাওয়া ৬০ শতাংশই পুরুষ বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

জিনোম সিকোয়েন্স করে যে ৪০ জনের মধ্যে ভারতীয় (ডেল্টা) ধরন পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যে আটজনের ভারতে যাওয়ার ইতিহাস আছে। ১৮ জন বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন।

বাকি ১৪ জন বা ৩৫ শতাংশের দেশের বাইরে যাওয়া কিংবা বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তির সংস্পর্শে যাওয়ার ইতিহাস নেই, যা ভারতীয় (ডেল্টা) ধরন বাংলাদেশে সামাজিক সংক্রমণের প্রমাণ দিচ্ছে।

এর আগে আইইডিসিআর চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এক পরীক্ষা চালিয়ে জানায়, যারা করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা আগের চেয়ে দ্রুত মারা যাচ্ছেন। আর গত বছরের চেয়ে অনেক বেশি তীব্রতা নিয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বাড়ছে বলেও জানানো হয়।

গত ১১ মে দেশে করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্ত হওয়ার এ পর্যন্ত করোনভাইরাসের ৫০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করেছে আইইডিসিআর। এর মধ্যে ৪০টি অর্থাৎ ৮০ শতাংশ নমুনায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট, ১৬ শতাংশ নুমনায় বিটা ভ্যারিয়েন্ট অর্থাৎ দক্ষিণ আফ্রিকার ধরন শনাক্ত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ