• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সকালে মুড়ি, দুপুরে ডাল ভাত খায়ছি মা- বেটাই

তাফহিমুল ইসলাম, দিনাজপুর ।। সকালে মুড়ি,দুপুরে ডাল ভাত খায়ছি মা- বেটাই। এমপি হামাক আজ খাবার দিছে  রাতে ভালো খায়তে পারমো। চোখ দুটি কচলিয়ে কথা বলছিলেন দিনাজপুর শহরের রামনগর এলাকার ফুলিয়া।বুধবার (৭ জুলাই) বিকার ৫টায় দিনাজপুর শিশু একাডেমি অডিটোরিয়ামে করোনা মহামারী চলাকালীন ক্ষতিগ্রস্ত দলিত ও হিজরা সম্প্রদায়য়ের মাধে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা নিতে এসে এ কথা বলেন।

ফুলিয়া আরো জানান, মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি ছেলে অর্নাসে পড়ে। তার টিউসুনি টাকা দিয়ে বাসাভাড়া,সংসার খরচ চলে। ভাইরাস বেড়ে যাওয়ায় টিউশনি বন্ধ হয়ে যায় এতে করে মা বেটায় খুব কষ্টে আছি। আজকা প্রধানমন্ত্রী খাবার দিছে হামার কয়দিন ভালো খাবা পারমো।

ধর্মেন্দ্র দাস কাজ করেন জুতা সেলাইয়ের দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায়। করোনার আগে যেখানে তার আয় হতো ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। সেখানে লকডাউনে ১০০ টাকাও জুটেনা না দিনে। তিনি জানান, পরিবার নিয়ে অনেক কষ্টে আছি। আল্লাহ প্রধানমন্ত্রী অনেক ভালো করুক। কয়দিন টাকা জমাইয়া মাছ মাংস কিনতে পারমো। চাল তো প্রধানমন্ত্রী হামাক দিলেই।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ এমপি ইকবালুর রহিম এমপি, দিনাজপুর পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন,সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুর্তজা মুঈদ ,সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ইমরান সরকারসহ প্রমূখ।

জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, সারাবিশ্বে ব্যাপক আকারে বেড়ে গেছে করোনা ভাইরাস। এ থেকে মুক্তি একমাত্র পথ আমাদের ঘরে থাকা। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নির্দেশনা ১৪ দিন এর আগে আমরা লকডাউন পালন করেছি। বর্তমানে জাতীয়ভাবে সারাদেশে লকডাউন পালন করা হচ্ছে এই মহামারী প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্তির জন্য। আজকে আপনাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাবার দিচ্ছে। তিনি সবসময় আপনাদের পাশে আছেন আপনাদের কথা ভাবেন। আপনাদের আমি দয়া করে বলছি আপনারা ঘরে থাকুন। আপনাদের যদি খাবার প্রয়োজন হয় । আপনারা ৩৩৩ এই নাম্বারে কল করে জানাবেন। আপনাদের বাসায় খাবার পৌঁছে যাবে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে। আজকে আপনারা ঘরে থেকে আমাদের সহযোগিতা করুন আগামী বাংলাদেশ হবে সুন্দর সম্ভাবনার বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী সহযোগিতার খাদ্য ছিল চাল ৭কেজি, তেল ৫০০ গ্রাম , ডাল এক কেজি, চিনি এক কেজি, লবন এক কেজি, মরিচ শুকনা ২৫০ গ্রাম, মিষ্টি কুমড়া ৩ কেজি, সাবান ১টি, আম এক কেজি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ