• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডিমলায় স্কুল শিক্ষক হামলার শিকার, হাসপাতালে ভর্তি

মাসুদ পারভেজ, ডিমলা ।। নীলফামারীর ডিমলায় ফুটবল খেলার প্রচার মাইককে কেন্দ্র করে মনোয়ারুল ইসলাম সোহেল নামে এক শিক্ষকের পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। আহত মনোয়ারুল ইসলাম কাকড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক।
গত ২৪ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার সময় উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের কাকড়া বাজারে হোমিওপ্যাথি ডাঃ ইউনুস আলীর দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী বলেন ফুটবল খেলার একটি প্রচার মাইকিং বের হলে কিছুক্ষন তা বন্ধ হয়ে যায়। মাইকিং বন্ধের কারণ সম্পর্কে জানা যায়, দেশে চলমান সরকার ঘোষিত লকডাউনের কারনে ঝুনাগাছ চাপানী ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান ও ইউপি সদস্য সোলেমান আলী তা বন্ধের পরামর্শ দেন।
প্রচার বন্ধের কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে একই এলাকার রজব, মিষ্টার, নলকু, মাহাফুজার রহমান, আকরাম আলী, আশরাফুল আলম, তহিদুল ইসলাম গং পূর্ব শত্রুতার জেরে শিক্ষক মনোয়ারুল ইসলাম সোহেলকে এসে অশালীন ভাষায় গাল মন্দ করে এবং বলে তুমি প্রচার মাইকিং বন্ধ করেছ এই বলে ফিল্মি স্টাইলে লাঠিসোটা নিয়ে সবাই মিলে শিক্ষককে উপর্যুপরি কিল ঘুষি লাথি মারে। এতে তাঁর ডান চোখের উপরি ভাগ ফেটে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ যখম হয়।
এক পর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র উঁচিয়ে শিক্ষককে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে বাজারের লোকজন ছুটে এসে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ডিমলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষকের বড় ভাই আনারুল কবির পায়েল বাদী হয়ে উপরোক্ত ব্যক্তিদের আসামী করে ডিমলা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা সত্যতা নিশ্চিত করে ডিমলা থানা অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম বলেন তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধিকে পাকড়াও করা হবে।
এ ব্যাপারে হোমিওপ্যাথি ডাঃ ইউনুছ আলী বেলাল বলেন, মাষ্টার সাহেব আমার দোকানে বসে ছিলেন। এমতাবস্থায় তারা এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। আমি বাধা প্রদান করলে তারা আমাকেও মারধর সহ আমার দোকানের ঔষধ এবং ক্যাশে রাখা ১৫ হাজার টাকা লুটকরে নেয়। আমি আমার দোকানের ক্ষতি পূরণ চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ