• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে নারী-পুরুষের ভীড়

।। এস এম জামান ।। নীলফামারীতে করোনা টিকা গ্রহণে মানুষের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে নারী-পুরুষের ভীড় পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রথম অবস্থায় এ টিকা গ্রহণে মানুষের মাঝে ভীতি ও অনাগ্রহ দেখা দিলেও করোনার প্রকোপ এ জেলায় বৃদ্ধি পাওয়ায় টিকা গ্রহীতারা নিজেই সচেতনতার পরিচয় দিচ্ছে এমনটিই মনে করছে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ।

নীলফামারী সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (২৫ জুলাই) একদিনেই জেলায় দুই হাজার ৮০৫ জন ব্যাক্তি করোনা টিকা গ্রহণ করেছেন। এরফলে গোটা জেলায় করোনা টিকা গ্রহীতার সংখ্যা দাঁড়ালো ২১ হাজার ৮৫৮ জন। সোমবার সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের টিকাদান কেন্দ্রে দেখা যায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানুষ টিকা গ্রহণের জন্য অপেক্ষা করছে। তাদের ভীড় সামলাতে হিমশিমে পড়েছে স্বেচ্ছাসেবিরা।

নীলফামারী সিভিল সার্জন অফিসের কোভিড -১৯ কন্ট্রোল রুম সূত্রমতে, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় নতুন করে ৭৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ হাজার ২২৩ জন। এছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে সৈয়দপুরে একজন মারা গেছেন। ফলে করোনা আক্রান্ত হয়ে জেলায় ৬৫ জনের মৃত্যু হলো।

জেলা সদরে আসা নীলফামারী সদরের সোনারায় ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম জানান, কঠোর বিধিনিষেধ চলমান থাকায় কম্পিউটার দোকান বন্ধ থাকায় টিকার রেজিষ্ট্রেশন করতে না পেরে বাড়ি ফিরে যাচ্ছি। অনেকেই মোবাইলে রেজিস্ট্রেশন করলেও দোকানপাট বন্ধের কারনে হার্ডকপি সংগ্রহ করতে পারছেনা।

সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু মো: আলেমুল বাশার বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় হাসপাতালের টিকা কার্যক্রম পরিচালনা ও স্বাভাবিক ভর্তি রোগীর সাথে করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে কর্মরতদের সেবা প্রদানে নিয়োজিত করা হয়েছে।

নীলফামারী সিভিল সার্জন ডা: জাহাঙ্গীর কবির জানান, সকল ভয় কাটিয়ে জীবন বাঁচানোর তাগিদে করোনার টিকা নিতে ভীড় করছেন মানুষ। শুরুতে করোনা টিকার প্রতি মানুষের ভ্রান্ত ধারণা কাজ করলেও করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় টিকা গ্রহীতার ভীড় বাড়ছে। আর সেজন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল টীকাদান কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় স্টাফের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ