• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

গণটিকা শুরু হচ্ছে ১৪ আগস্ট থেকে

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। টিকার স্বল্পতা ও পরিবহন জটিলতায় আগামী ৭ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া গণটিকার কার্যক্রমের পরিকল্পনায় পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন এই পরিকল্পনা সীমিত করা হয়েছে কার্যক্রম। ৭ আগস্ট উদ্বোধন হলেও গণটিকার কার্যক্রম শুরু হবে ১৪ আগস্ট থেকে।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

মহাপরিচালক বলেন, আমাদের মাইক্রো প্ল্যান ঠিকই আছে। প্রতি ওয়ার্ডে ২০০ করে ইউনিয়নে ৬০০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। কিন্তু ১১ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। এ অবস্থায় পরিবহন সমস্যা। সেজন্য ৭ আগস্ট টেস্ট হবে, ১৪ আগস্ট গণটিকা শুরু হবে।

জানা গেছে, নতুন পরিকল্পনায় যারা আগেই নিবন্ধন করেছেন এবং যাদের জাতীয় পরিচয় পত্র আছে তাঁরাই কেবল টিকা নিতে পারবেন। এছাড়া কোনো হাসপাতাল নয়, আপাতত স্কুলগুলোকে টিকাকেন্দ্র করা হবে। সেখানে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া না গেলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাসপাতালেও দেওয়া হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখসচিবের সভাপতিত্বে গতকাল বুধবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে অংশ নেওয়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ভার্চ্যুয়াল এ বৈঠকে বিভাগীয় ও জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এবং আইসিটি বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

এর আগে গত ২৫ জুলাই স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, টিকার সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় আগামী ৭ আগস্ট থেকে এক সপ্তাহে সারা দেশের একটি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। পরে ২৮ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর খসড়া একটি পরিকল্পনা প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। যাতে ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভাগুলোতে সিনোফার্ম ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী গ্রাম পর্যায়ে ৮৬ লাখ ৮০ হাজার ডোজ এবং পৌরসভার বুথগুলোতে ৬ লাখ ৩২ হাজার ৪০০ ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বয়স্ক, অসুস্থ, নারী ও প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ১৪ আগস্ট থেকে টিকাপ্রাপ্তি সাপেক্ষে এই কর্মসূচি পুনরায় শুরু হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ