• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

খাবারে ছত্রাক জমলে কী করা উচিত?

Berlin, moldy white breadস্বাস্থ্য ডেস্ক: বাসায় ফ্রিজের বাইরে খাবার রেখে দিলে অনেক সময়েই তাতে ছাতা বা ছত্রাক পড়ে যায়। আমরা বেশিরভাগ সময়ে এসব খাবার ফেলে দেই। কিন্তু কখনো কখনো আমরা ছাতা পড়া অংশটুকু কেটে ফেলে রেখে বাকি অংশটুকু খেয়ে ফেলি। কিন্তু এই কাজটি কি আসলে করা আমাদের ঠিক হচ্ছে? ছাতা পড়া খাবারের বাকি অংশটুকু কি আসলেই নিরাপদ?

খাবারে পড়া ছাতা হিসেবে আমরা যাকে দেখি তা অনেকটা তুলোর মতো এবং কালচে বা সবজেটে রঙের। অনেক বেশি ছাতা পড়ে গেলে তা খালি চোখেই দেখা যায়। টমেটো সস, পাউরুটি, পনির এসব খাবারে খুব দ্রুত এমন ছত্রাক পড়ে ও ছড়িয়ে যায়। এমনকি আপনি খাবারের যে অংশটিকে নিরাপদ মনে করছেন, সে অংশটিতেও ছড়িয়ে গিয়ে থাকতে পারে অতিক্ষুদ্র ছত্রাকের বসতি। এরা এসব খাবার খায় এবং তৈরি করতে থাকে কিছু রাসায়নিক পদার্থ যা শরীরের জন্য খুব খারাপ হতে পারে। কারণ ছত্রাক উৎপাদন করে মাইকোটক্সিন নামের এক ধরণের ক্ষতিকর রাসায়নিক। এসব মাইকোটক্সিন শরীরে গেলে আপনি তৎক্ষণাৎ কিছু টের পাবেন না হয়তো। কিন্তু আপনি যদি অসাবধান থাকেন এবং এসব ছত্রাকে ভরা খাবার মাঝে মাঝেই খেয়ে থাকেন তবে আপনার স্বাস্থ্যের ওপর পড়বে বাজে প্রভাব। ক্ষতি হতে পারে লিভার, কিডনি এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার। হতে পারে বেশ কয়েক ধরণের ক্যান্সার।

সব ছত্রাক যে মাইকোটক্সিন উৎপাদন করে তা নয়। কিন্তু আপনি খালি চোখে দেখে কি করে বুঝবেন আপনার খাবারে কোন ছত্রাকটা উৎপাদন হচ্ছে? এ কারণে খাবারের কোনও অংশে ছত্রাক পড়ে থাকলে তা না খাওয়াটাই ভালো। খাবারের ভালো অংশটাকে কেটে উদ্ধার করার চাইতে পুরোটা থেকেই দূরে থাকুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ