।। সিসি নিউজ ।। ‘তোমার হাতের মৃদু কড়া-নাড়ার শব্দ শুনবার জন্য/দরোজার সঙ্গে চুম্বকখণ্ডের মতো আমার কর্ণযুগলকে/গেঁথে রেখেছিলাম। কোনো নির্জন মধ্যরাতে তুমি এসে/ডেকে বলবে : এই যে ওঠো, আমি এসেছি, আ-মি।’ প্রেমের কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতার পঙ্ক্তির মতোই বসন্ত ভালোবাসায় একাকার হয়ে যাওয়ার দিন এসেছে।
আজ বসন্ত। আজ ভালোবাসার দিন। ফাল্গুনের এদিনে উত্তরের শীতল বাতাস এখন বইলেও রোদের উত্তাপে তাপমাত্রার পারদ বাড়ছে। এরই মাঝে বাংলার সর্বত্রে আজ পহেলা ফাগুনের দিনে হবে ভালোবাসার জয়গান। হৃদয়ের সাথে হৃদয় মিশিয়ে আর নরম কোমল হাতে হাত রেখে যুগলরা একে অপরকে ভালোবাসার উষ্ণ আলিঙ্গন জানিয়ে আজ বলবে ‘হ্যাপি ভ্যালেনটাইনস ডে’।
দেশের নানা জায়গায় শুরু হয়েছে বসন্তের আবহ। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরী আর তরুণ-তরুণীরা বসন্তের সাজে রাঙাতে শুরু করেছে রাজপথ। তবে আজ হবে প্রকৃত অর্থেই পহেলা ফাল্গুন ও ভ্যালেন্টাইনস ডের উদযাপন। সারা দেশ আজ মেতে উঠবে ফাল্গুনী আমেজে। তরুণীরা বাসন্তী রঙের শাড়িতে খোঁপায় হলুদ গাঁদা আর মাথায় ফুলের টায়রার সুষমার সাজাবে নিজেদের। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তরুণরাও ধরা দেবে হলুদ পাঞ্জাবিসমেত একরাশ ফাল্গুনী সাজে। ঢাকার বাইরে জেলা শহর ও নানা জায়গায় বিশেষ করে ক্যাম্পাস ও বিনোদনকেন্দ্রগুলো থাকবে তরুণদের দখলে। বসন্ত আর ভালোবাসার দিনটিকে বরণ করে নিতে ফুলের দোকান আর মার্কেটের শাড়ি-পাঞ্জাবির দোকানগুলোতে গত কয়েক দিন ধরেই বেশ ভিড়।
দিনটিতে প্রেমিক-প্রেমিকারা পরস্পরের শুভেচ্ছায় সিক্ত হবে। ফুল, কার্ড, চকলেট বিনিময়ের পাশাপাশি কবিতা ও ছন্দমিশ্রিত ক্ষুদে বার্তায় ভরে যাবে মুঠোফোনের ইনবক্স। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে যাবে পরানের গহিনের উষ্ণতা।