• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

ধানক্ষেতের ‘ক্যানভাসে’ ফুটে উঠল জাতীয় পতাকা

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। ধানক্ষেতের মাঠ যেন ক্যানভাস। আর তাতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে জাতীয় পতাকার রূপ। শিল্পীর রংতুলির আঁচড়ে নয়, ফসলের খেতে ধানের চারা লাগিয়ে জাতীয় পতাকার প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলার এই কাজ করেছেন শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরে আলম সিদ্দিকী। তিনি নিজের ফসলের মাঠে সবুজ ও বেগুনি ধানের চারা দিয়ে তৈরি করেছেন জাতীয় পতাকার প্রতিকৃতি। জাতীয় পতাকার আদলে করা এ ধানক্ষেত দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন আশেপাশের গ্রামের মানুষ।

নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ইউটিউবে বেগুনি রঙের ‘পার্পল লিফ রাইস’ নামের ধান চাষের একটি ভিডিও দেখে গত বছর বেগুনি ধানের বীজ সংগ্রহ করে অল্প জমিতে রোপন করি। পরে সেই ধানের ভালো ফলন হয়। তাই এবার দশ কাঠা জমিতে এ ধান চাষ করেছি।

তবে পরিকল্পিতভাবে ধানক্ষেতের চারপাশে সবুজ রঙের ধান আর মাঝখানে বেগুনি রঙের ধান রোপন করেছেন তিনি। যা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আদলে তৈরি করেছেন। দেশপ্রেম থেকেই এমন কাজ করেছেন বলে জানান তিনি।

শিক্ষক  নূরে আলম সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষকে স্মরনীয় করে রাখতে আমি জাতীয় পতাকার আদলে একই জমিতে দুই জাতের ধান রোপন করেছি। যেটি দূর থেকে দেখে মনে হয় জাতীয় পতাকা। সবাই প্রশংসা করছে শুনে খুব ভাল লাগছে।’

এ ব্যাপারে ধানশাইল ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন ‘দেশের প্রতি ভালবাসা না থাকলে এ কাজ কোন ভাবেই করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ধানক্ষেতটি দেখলে মন-প্রাণ জুড়িয়ে যায়।’

ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, দেশে প্রথম বেগুনি রঙের ধানের আবাদ শুরু করেন কুমিল্লার কৃষক মনজুরুল আলম। এ ধান অনেক আগের দেশীয় জাত । ঝিনাইগাতীতে আরও কয়েকজন কৃষক এ ধান করেছেন। এর ভাত ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপযুক্ত। তবে জাতীয় পতাকার আদলে ধানক্ষেত করে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছেন ওই শিক্ষক।

উৎস: সমকাল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ