নীলফামারী প্রতিনিধি ।। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আলমগীর বলেছেন, আমি বেশ কয়েকটি ব্যাংকের সাথে যুক্ত থেকে ডিজিটাল সেবার মান উন্নয়নে সক্ষম হয়েছি।
এবার চলছে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংককে ডিজিটাল করার পালা। আশা করছি, আগামী রমজানের ঈদের পর থেকে পুরোপুরি এই ব্যাংকে ডিজিটাল করা হবে। মানুষ ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে এই ব্যাংকের সেবা নিতে পারবে।
বুধবার (২৩ র্মাচ) দুপুরে নীলফামারী সদরের সংগলশী ইউনিয়নের কাজিরহাট শাখায় গ্রাহক ও ঋণগ্রহীতাদের নিয়ে সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, উন্নত বিশ্বের মানুষ প্রতি মুহুর্তে ব্যবহার করে থাকেন ডেভিড ও ক্রেডিড কার্ড। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ সহায়তা নিয়ে পরিবর্তন করে থাকেন জীবনের গতিপথ। আমাদের দেশেরও ব্যাংকিং খাতটা এখন অনেক উন্নত। আমরা চাই এদেশের মানুষ ঋণ গ্রহন করে সফলতা বয়ে আনুক।
গ্রাহকের সেবার মান বাড়াতে এই দেশে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের আরো ৫০ টি শাখা চালু করা হয়েছে। এছাড়াও ১৫টি উপশাখা খোলানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে। তিনি আরও বলেন,ঋণ সহায়তা নিয়ে কাজে লাগাতে হবে, যেখান থেকে আপনাদের প্রোফিট আসবে। অযথা টাকার অপচয় না করে ভালো কাজে লাগান। মনে রাখবেন ঋণ খেলাপি মানে কাঁধে বোঝা।
জেলার জলঢাকা উপজেলার চিড়াভিজা গোলনার থেকে ঋণ নিতে আসা বিলকিস আহমেদ বলেন, আমি গরু মোটা তাজাকরণ করি, বর্তমানে আমার খামারে ১৫ টি গরু রয়েছে । তবে খামার বৃদ্ধি, আরো বেশ কিছু গরু ক্রয়সহ খামারের প্রয়োজনীয় উপকরণ কেনার জন্য এই ব্যাংক থেকে আজকে আমি ২৫ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছি। তবে আশা করছি, খামার থেকে আগে যা লাভ আসতো এখন তা দ্ধিগুন বৃদ্ধি পাবে।
জানতে চাইলে ঋণ গ্রহীতা সদরের চড়াইখোলা ইউনিয়নের লায়লা আর্জুমান বলেন, আমার ছ’মিল ও হসকিং মিল রয়েছে, তবে ব্যবসা বাড়ানোর জন্য এই প্রথম ২০ লক্ষ টাকা ঋন গ্রহন করলাম। তবে একসাথে এতোগুলো টাকা ঋণ পাওয়া ব্যবসায়ীদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিডিবিএল কাজির হাট শাখার ম্যানেজার জিন্নাতুল আলম, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মাসুদুজ্জান, প্রিন্সিপাল অফিসার রাকিবুল ইসলামসহ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা গ্রাহক ও ঋণগ্রহীতারা। অনুষ্ঠান শেষে দু’জন সফল নারী উদ্যোক্তাকে ৪৫ লক্ষ টাকা ঋণের চেক প্রদান হয়।