• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ঢাবির বিভাগীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আকরাম হোসেনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন ওই বিভাগের এক শিক্ষার্থী। ফলে ওই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ পাওয়া দুইজনের নিয়োগ সুপারিশ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক কমিটি (সিন্ডিকেট)।

আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী কমিটির (সিন্ডিকেট) সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সভায় উপস্থিত থাকা একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য।

অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সূত্র জানায়, অভিযোগকারী শিক্ষার্থী ২০১৯ সালের ১০ মে ব্যবসা শিক্ষা অনুষদের তৎকালীন ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম বরাবর যৌন হয়রানির অভিযোগ দেন। ২০১৮ সালে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে অধ্যাপক আকরাম হোসেনের দেওয়া অনৈতিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার বিষয়টি উল্লেখ করেন অভিযোগকারী শিক্ষার্থী। তবে সেটি বেশিদূর গড়ায়নি।

সূত্র আরও জানায়, সম্প্রতি প্রভাষক নিয়োগে ওই শিক্ষার্থী আবেদন করলে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলায় নিয়োগে সুপারিশ করেননি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন—উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে এবার দুই প্রভাষকের নিয়োগ সুপারিশ বাতিল করেছে সিন্ডিকেট।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলে পাঠানো হয়েছে। যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলের তদন্ত প্রতিবেদন আলোকে ওই ছাত্রীর নিয়োগের বিষয়ে সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নেবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত অধ্যাপক মো. আকরাম হোসেন বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগের কপি দুটি পড়লে বোঝা যায় যে, ওই শিক্ষার্থী বিচার চায় না, চাকরি চায়। তার চাকরি হলে আর অভিযোগ থাকবে না। এসব অভিযোগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’ তিনি শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রের শিকার বলেও অভিযোগ করেন অধ্যাপক আকরাম।

উৎস: আজকের পত্রিকা

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ