• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

গুপ্তধনের লোভ দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। চট্টগ্রামে গুপ্তধনের লোভ দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় আবদুল জলিল (৩৯) নামে এক ভণ্ডপীরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ ফেরদৌস আরা আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার আরিফুল আলম বলেন, এই মামলায় আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামিকে আরও তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আরিফুল আলম বলেন, এর আগে মামলার অভিযোগপত্রে চিকিৎসক, পুলিশসহ ১৪ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ ১১ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি জানান, ২০১৮ সালে আসামি আবদুল জলিল ভণ্ডপীর সেজে ভুক্তভোগীর এলাকায় যান। সেখানে গিয়ে ১৫ বছরের ওই কিশোরীর ওপর কুদৃষ্টি পড়ে তাঁর। পরে কিশোরীর ফুফুকে ডেকে বলেন, তাদের বাড়িতে খালি জায়গায় স্বর্ণের হাঁড়িতে গুপ্তধন লুকানো আছে। এই বলে প্রতারক জলিল সেখানে জিকির করতে থাকেন। পরে কিশোরীর ফুফুকে বলেন, স্বর্ণের ডেক পেতে হলে তাঁর সঙ্গে পরিবারের অবিবাহিত কোনো মেয়েকে ৪১ দিন ধরে নামাজ পড়তে হবে। এ সময় কিশোরীর ফুফুসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা ভণ্ডপীরের কথায় রাজি হন।

পরদিন সন্ধ্যায় ওই ভণ্ডপীর মেয়েটির বাড়িতে আসেন। সেখানে মেয়েটিকে নামাজ পড়ানোর জন্য একটি অন্ধকার ঘরে নিয়ে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বাইরে বের করে দেন। পরে মেয়েটিকে অন্ধকারের মধ্যে ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ করেন জলিল।

খন্দকার আরিফুল আলম বলেন, এভাবে বিভিন্ন সময় নামাজ পড়ানোর নামে মেয়েটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। ২০১৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আসামি ফোন করে পুনরায় নামাজ পড়ানোর নামে মেয়েটির বাসায় আসার কথা বললে মেয়েটি কান্নাকাটি করে। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়।

ওই বছর ২৬ জানুয়ারি পূর্বনির্ধারিত সময়ে ওই ভণ্ডপীর বাড়িতে হাজির হলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে পরিবারের সদস্যরা ধরে গণপিটুনি দেন। ওই ঘটনায় পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় একটি মামলা করেন। উৎস: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ