• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

সৈয়দপুরে পৌর কাউন্সিলর জোবায়দুল ইসলাম মিন্টু’র সংবাদ সম্মেলন

সিসি নিউজ ।। নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার কাউন্সিলর মো. জোবায়দুল ইসলাম মিন্টু এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি আজ রোববার (৬ জুন) বেলা ১১টায় শহরের শেরে বাংলা সড়কের সৈয়দপুর প্লাজার একটি রেস্টুরেন্টে ওই সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি ওয়ারিশন সনদপত্র প্রদান ও জমির জাল দলিল সম্পাদন সংক্রান্ত তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাটিকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। মূলতঃ তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও সাময়িক হয়রানির উদ্দেশ্যে বাদী আরশাদ আলো তাঁর নামে ওই মিথ্যা মামলাটি দায়ের করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পৌর কাউন্সিলর জোবায়দুল ইসলাম মিন্টু বলেন, সৈয়দপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জনৈক আজিজুল হক তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রসহ ওয়ারিশন (অংশীদারিত্ব) সনদের জন্য আবেদন করেন। আর তিনি গত ৩ মার্চ জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ওই ব্যক্তির একটি ওয়ারিশন সনদপত্রে স্বাক্ষর করেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন আজিজুল ইসলাম নামের ওই ব্যক্তি মিথ্যা ও জাতীয় পরিচয়পত্র জাল করে ওয়ারিশন সনদপত্রটি গ্রহন করেছেন।

এরপর তিনি (কাউন্সিলর) গত ৬ মার্চ বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে আজিজুল ইসলামকে প্রদত্ত ওয়ারিশন (অংশীদারিত্ব) প্রত্যায়নপত্র বাতিলের জন্য সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র বরাবরে একটি আবেদন দেন। গত ১০ মার্চ সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র রাফিকা আকতার জাহান পৌর কাউন্সিলরের ওই আবেদনে পরিপ্রেক্ষিতে ওয়ারিশন সনদপত্রটি বাতিল করেন। পরবর্তীতে পৌরসভার কাউন্সিলর জোবায়দুল ইসলাম মিন্টু ওয়ারিশন সনদপত্র বাতিলের বিষয়টি পত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন দপ্তরে অবহিত করাসহ প্রতারণার মাধ্যমে ওয়ারিশন সনদ গ্রহনকারী আজিজুলের বিরুদ্ধে আদালতে একটি প্রতারণা মামলাও দায়ের করেন। যা বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে পৌর কাউন্সিলর অভিযোগ করে বলেন, চলতি বছরের গত ১০ এপ্রিল পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের মৃত. মজিবর রহমানের ছেলে মো. আরশাদ আলো নীলফামারীর জেলা জজ কোর্টে আমাকে (পৌর কাউন্সিলর) এক নম্বর আসামী করে ওয়ারিশন প্রত্যায়নপত্র ও জমি সংক্রান্ত একটি জালিয়াতি মামলা দায়ের করেন। অথচ যে জমি নিয়ে জাল দলিল সম্প্রদানের মামলাটি করা হয়েছে তাতে মামলার বাদীর কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। মূলত. মামলার বাদীর বড় ভাই গত পৌরসভা নির্বাচনে আমার একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন। তারই জের ধরে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও সাময়িক হয়রানি করতেই আমার নামে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এ মামলাটি করেছেন।

তিনি আরও বলেন, বিরোধপূর্ণ জমি বেচা-বিক্রিতে আমার কোন রকম সম্পৃক্তা ছিল না। শুধুমাত্র ভুলবশত আমি ওয়ারিশন সনদপত্রে স্বাক্ষর করেছি। বাদী আরশাদ আলো’র করা মিথ্যা ও বানোয়াট মামলাটি আইনিভাবে মোকাবেলা করবেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বিরোধপূর্ণ জমির অংশীদার রবি প্রামানিকের নাতি মো. লোকমান হোসেন ও মোক্তার হোসেন উপস্থিত ছিলেন ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ