• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ফেসবুক স্ট্যাটাসে আর কোনো মিথ্যা কথা নয়!

Facebookপ্রযুক্তি ডেস্ক: ফেসবুকে অনেকেই হয়ত বাড়িয়ে-চড়িয়ে নানা অসত্য কথা লেখেন বা তুলে ধরেন ভিত্তিহীন তথ্য৷ তাঁদের জন্য সতর্কবার্তা হচ্ছে, সময় এসেছে শুধরে যান৷ কেননা ফেসবুক কিন্তু এবার থেকে ধরে ফেলবে আসলেই আপনার তথ্যটা সঠিক কিনা!

ইউরোপের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় এটি নিয়ে কাজ করছে৷ এ দলের নেতৃত্বে আছে ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারে অবস্থিত শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়৷ তারা এমন একটি সিস্টেম বা ব্যবস্থা তৈরির কথা ভাবছে, যেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যে কোনো তথ্যের সত্যতা এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট সূত্র সম্পর্কে জানতে পারবে৷

গবেষকরা জানিয়েছেন, এমারজেন্সি সার্ভিস, গণমাধ্যম এবং প্রাইভেট সেক্টরে এটা বেশ কাজে দেবে৷ কেননা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব সেক্টর নিয়ে নানা ধরনের গুজব ছড়াতে দেখা যায়৷

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থ সহায়তায় তিন বছরের প্রকল্পটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ফিমে’৷ এর মাধ্যমে টুইটার ও ফেসবুকে ব্যবহারকারীদের দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা যাবে৷ এক বিবৃতিতে প্রকল্পের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বর্তমানে প্রচুর গুজব ও অসত্য তথ্য দেখা যায়৷ এ ধরনের বার্তাগুলোর সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে, যা পরবর্তীতে বড় ধরনের কোনো বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে৷ কিন্তু এই তথ্য ভাণ্ডারটি এতটাই বিশাল যে ঠিক যখন এটা দেয়া হবে তখনই এটা যাচাই-বাছাই করা সম্ভব নয়৷ এতে কিছুটা সময় লাগবে৷

তাঁরা এখানে কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছেন, যেমন ২০১১ সালে লন্ডনে দাঙ্গার ঘটনা৷ তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল লন্ডন আই অবজারভেশন হুইলে আগুন লেগে গেছে৷ আর লন্ডন চিড়িয়াখানা থেকে সব প্রাণীকে বের করে দেয়া হয়েছে৷ এ সবই ছিল গুজব৷

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা প্রতিদিনই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কিছু না কিছু তথ্য যোগ করেন৷ স্মার্টফোনের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনগুলোও ব্যবহারকারীদের ধারণার চেয়ে বেশি তথ্য নিয়ে থাকে৷

প্রকল্পের গবেষণা পরিচালক শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. ক্যালিনা বনচেভা জানালেন, ‘‘সবচেয়ে বড় সমস্যাটা হলো একটি খবর এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে সেটা সত্য না মিথ্যা – তা খুঁটিয়ে দেখা সঙ্গে সঙ্গে সম্ভব হয় না৷ যেমন কোনো একটি গুজব সম্পর্কে সত্য ঘটনা যাচাই-বাছাই করতে করতে দেখা গেল সত্যটাও ততক্ষণে অনেকেই জেনে ফেলেছে৷ তাই প্রকৃত সময়ে এটা করাটাই আমাদের কাজ৷”

প্রকল্পটি চার ধরনের তথ্য নির্ধারণে কাজ করছে – জল্পনা, বিতর্ক, ভুল তথ্য এবং অসত্য তথ্য৷ মূলত তিনটি ফ্যাক্টর ব্যবহার করে কাজটি করছেন গবেষকরা৷ প্রথমত যে তথ্যটি দেয়া হয়েছে, দ্বিতীয়ত অন্য কেউ এ ধরনের তথ্য দিলে এবং তৃতীয়ত তথ্য ভাণ্ডার থেকে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করা গেলে৷

জানা গেছে, সত্য তথ্যটা যাচাই-বাছাইয়ের পর ব্যবহারকারী তাঁর পেজে দেখতে পাবেন৷

টাইমস পত্রিকা জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই প্রকল্পে ৪৩ লাখ ইউরো ব্যয় করছে এবং এটি শেষ হতে অন্তত ১৮ মাস সময় লাগতে পারে৷ শেফিল্ড ছাড়া বাকি চারটি বিশ্ববিদ্যালয় হলো কিংস কলেজ লন্ডন, ইংল্যান্ডের ওয়ারউইক, জার্মানির সারল্যান্ড এবং ভিয়েনার মোডুল বিশ্ববিদ্যালয়৷ এর সাথে আরো চারটি কোম্পানি কাজ করছে৷ সেগুলি হলো – স্পেনের আটোস, কেনিয়ার আইহাব, বুলগেরিয়ার অনটোটেক্সট এবং সুইস-ইনফো৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ