• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বীর মুক্তিযোদ্ধা লাঞ্চিতের প্রতিবাদে নীলফামারীতে মানববন্ধন ও সমাবেশ

নীলফামারী প্রতিনিধি।। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় গত ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবসের অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলামকে লাঞ্চিতের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে জেলা শহরের বঙ্গবন্ধু চত্বরে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানবন্ধনের আয়োজন করে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে জেলার বিভিন্ন উপজেলার শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেয়।
অভিযোগ মতে, জেল হত্যা দিবসে ডিমলায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম দলীয় কর্মসূচিতে পতাকা উত্তোলনের জন্য এগিয়ে আসলে ডিমলা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌস পারভেজ ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু সায়েম সরকার তাঁকে বাধা প্রদান ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। বাধা উপেক্ষা করে এগিয়ে গেলে তাঁর ওপর মারমুখি হয়ে উঠেন তারা। এসময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাদেরকে নিবৃত্ত করলেও শোক র‌্যালিতে অংশগ্রহনের সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলামকে লাঞ্চিত করে র‌্যালি থেকে বের করে দেন।
মানববন্ধন শেষে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন। বক্তৃতা দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সামছুল হক, মো. হামিদুর রহমান, মো. নূরন নবী, মো. হাবিবুর রহমান, মো. বাবুল হোসেন প্রমুখ।
শেষে ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন জেলা প্রশাসকের কাছে।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌস পারভেজ বলেন,‘তিনি (উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান) উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালান। বিষয়টি দলের সকলেই দেখেছেন। এমন কাজে বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা ওই অনুষ্ঠানে তাঁকে পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করায় পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়। সেখানে তিনি লাঞ্চিত হননি, রবং তাঁর লোকজন আমাকে ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতিকে লাঞ্চিত করেছেন।’
অপরদিকে জেলা পরিষদের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধাচারণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ