• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ফুলবাড়ীতে শিশুদের আবদারে দুস্থ শীতার্তরা পেল কম্বল

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।। তীব্র শীতে অসহায় দুস্থ শীতার্তরা যখন কাবু। ঠিক তখনি দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার পৌর শহরের তিন শিশু শিক্ষার্থী স্নেহা গুপ্তা (১৬), সেজুতি গুপ্তা (১৩) ও গোপাল গুপ্ত (১০) শীত বস্ত্র নিয়ে এগিয়ে এলেন শীতার্ত দুস্থদের কাছে। শীতার্তদের উষ্ণ পরশ দিতে রাতের আঁধারে ওই শিশু শিক্ষার্থীরা দুই শতাধিক দুস্থদের মাঝে ছুটে গিয়ে তুলে দিলেন শীত নিবারণের জন্য কম্বল।
পৌর শহরের কাঁটাবাড়ী গ্রামের ব্যবসায়ী রাজু গুপ্তার মেয়ে সদ্য এসএসসি পাস করা স্নেহা গুপ্তা, ছোট মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সেজুতি গুপ্তা ও তার সহদরভাই আনন্দ কুমার গুপ্তর ছেলে চুতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী গোপাল গুপ্ত (১০) শীতার্ত মানুষের কষ্টের কথা ভেবে তাদের বাবার কাছে বায়না ধরে ওইসব শীতার্ত মানুষদের জন্য কিছু করার। আবদার রাখতে শিশুদের অভিভাবক কয়েকশ কম্বল কিনে দেন তাদের । সেই কম্বল নিয়ে কমোল মতি স্নেহা গুপ্তা ও গোপাল গুপ্ত শুক্রবার (২০ জানুয়ারী) রাতে উপজেলার খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের অম্রবাড়ী, লালপুরসহ পৌর শহরের কাঁটাবাড়ী গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে শীতার্তদের হাতে কম্বল তুলে দেন। এসময় তাদের সাথে ছিলেন গোপল গুপ্তর বাবা আনন্দ কুমার গুপ্ত।
শিশুরা জানান, শীতে অসহায় ও দুস্থদের কথা ভেবে বাবাদের কাছে বায়না করলে তারা আমাদের কম্বল কিনে দেন। সেই কম্বল আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিতরণ করেছি। এতে আমাদের খুব ভাল লেগেছে।
আনন্দ কুমার গুপ্ত বলেন, শীতে আমরা সবাই কাবু। এই কথা বাচ্চাদের মনে নাড়া দিয়েছে। তাই তারা শীতার্তদের কম্বল দেওয়ার কথা আবদার করলে আমরা দুই শতাধিক কম্বল কিনে তাদের সাথে নিয়ে কম্বল গুলো বিতরণ করি। এতে করে বাচ্চারা অনেক খুশি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ