• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে রশিদ হত্যা মামলায় সৎমায়ের যাবজ্জীবন

সিসি নিউজ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাবা ও সৎমায়ের পিটুনীতে নিহত হারুন অর রশিদ হত্যা মামলার রায় দিয়েছে আদালত। এতে সৎমা শাহনাজ বেগমের (৪৭) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদন্ড হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মো. মাহমুদুল করিম ওই রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত মোছা. শাহনাজ বেগম সৈয়দপুর উপজেলার মুন্সিপাড়া খেজুরবাগ এলাকার মৃত আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী।

মামলার সূত্র মতে, ২০১০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে ১৭ বছর বয়সী ছেলে হারুন অর রশিদকে মাটপিট করেন তার বাবা আনোয়ার হোসেন ও সৎমা শাহনাজ বেগম। এ ঘটনায় হারুন অর রশিদ অসুস্থ হলে তাকে প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে মুমুর্ষ অবস্থায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন (১৩ নভেম্বর) নিহতের বাবা আনোয়ার হোসেন ও সৎমা শাহনাজ বেগমের বিরুদ্ধে সৈয়দপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। নিহত হারুন অর রশিদের মা হোসনে আরা বাদী হয়ে ওই মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ তদন্ত শেষে ওই হত্যা মামলায় হারুন অর রশিদের বাবা আনোয়ার হোসেন ও তার (হারুন) সৎমা শাহনাজ বেগমের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জসিট দাখিল করেন।

নীলফামারী জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অক্ষয় কুমার রায় বলেন, মামলা চলাকালীন সময়ে আসামী আনোয়ার হোসেন মারা যায়। দীর্ঘ শুনানী শেষে আজ বৃহস্পতিবার আদালতের বিচারক একমাত্র জীবিত আসামী নিহতের সৎমা শাহনাজ বেগমকে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

ডোমারে অপহরণ ও ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় এক ব্যক্তির ১৪ বছরের সশ্রম সাজা

নীলফামারীতে ১০ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় আব্দুস সোবহান (৪০) নামের এক ব্যক্তির ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড হয়েছে। বুধবার দুপুরে নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক ( জেলা ও দায়রা জজ) মো. মাহবুবুর রহমান ওই রায় প্রদান করেন।
দন্ডপ্রাপ্ত আব্দুস সোবহান জেলার ডোমার উপজেলার বামুনিয়া ইউনিয়নের পাটোয়ারী পাড়া গ্রামের মৃত চেকেত আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন পোনা মাছ ব্যাবসায়ী।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে একই উপজেলার পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নের মেলা পাঙ্গা গ্রামের এক ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় সোবহান। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে ২০১২ সালের ২৮ জানুয়ারী আব্দুস সোবহানকে আসামী করে অপহরণ ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ডোমার থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৭ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে দীর্ঘ শুনানী শেষে মঙ্গলবার দুপুরে আসামীর উপস্থিতিতে ওই সাজা প্রদান করা হয়।
সরকার পক্ষের আইজীবী আল মাসুদ আলাল এর সত্যতা নিশ্চিৎ করে বলেন, ‘আসামী জামিনে ছিলেন। মঙ্গলবার আসামীর উপস্থিতিতে বিজ্ঞ বিচারক ওই রায় ঘোষনা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামীকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ