নিউজ ডেস্ক: পিরোজপুর জিয়ানগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সেঝো ছেলে মাসুদ বিন সাঈদী।
সোমবার দুপুরে পিরোজপুর জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মাসুদ বিন সাঈদী মনোনয়ন পত্র জমা দেন। তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় তার সঙ্গে ছিলেন মেঝো ভাই শামীম বিন সাঈদী।
এর আগে সাঈদীর দুই ছেলেই জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। শামীম সাঈদী পিরোজপুর-১ সদর এবং মাসুদ সাঈদী পিরোজপুর-২ (ভান্ডারিয়া-কাউখালী) থেকে নির্বাচন করার কথা বলেছিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ হয়েছে। ১৮ দল দশম নির্বাচনে অংশ না নেয়ায় তারা কেউ প্রার্থী হননি।
জানা গেছে, পিরোজপুরে সাঈদীর অবস্থান ধরে রাখার জন্যই তিনি নির্বাচনে অংশ নেন।
জিয়ানগর উপজেলার সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানিয়েছেন, “সাঈদী সাহেবের ইমেজের কারণেই জিয়ানগরের মানুষ মাসুদ বিন সাঈদীকে ভোট দেবেন। এলাকার মানুষ তাকে নির্বাচিত করার বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।”
মাসুদ সাঈদী বলেন, “বাবা দশ বছর পিরোজপুরের সংসদ সদস্য ছিলেন। পিরোজপুরে দশ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে তা অতীতে হয়নি। এছাড়া আব্বা জিয়ানগরকে থানা থেকে উপজেলায় উন্নীত করেছেন। এর পাশাপাশি এই উপজেলার উন্নয়ন অবকাঠামোয় করেছেন। তারপরও অনেক কিছু বাকি রয়ে গেছে। বাস্তবতার কারণে আব্বা (মাওলানা সাঈদী) মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারছেন না, কাজ করতে পারছেন না। তাই তার অসামাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।”
তিনি বলেন, “উপজেলা নির্বাচনে তেমন কোনো ক্ষমতা নেই। তারপরও জিয়ানগরবাসী যদি আমাকে দায়িত্ব দেন আমি সুযোগ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবো। আব্বা জিয়ানগরকে উপজেলায় উন্নীত করে ওই এলাকার মানুষের ৩০ বছরের স্বপ্ন পূরণ করেছেন। আমিও তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।”