নীলফামারী প্রতিনিধি: কৃষিতে নারী শ্রমিকদের নায্য “মজুরী” বিষয়ক সমাবেশ মঙ্গলবার বিকেলে নীলফামারী সদর উপজেলার চওড়া বড়গাছা স্কুল এ্যান্ড কলেজ চত্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কেয়ারের পাথওয়েজ সাম্য এবং গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র সেতু প্রকল্পের সহযোগীতায় সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মোঃ সাবেত আলী।
চওড়া বড়গাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা মহিলা বিষয় কর্মকর্তা মোছাঃ নুরুন্নাহার বেগম, চওড়া বড়গাছা স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
এছাড়া সমাবেশে পাথওয়েজ সাম্য প্রকল্প’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম ও জিবিকে সেতু প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোঃ আব্দুল বশিঁর কৃষিতে নারী শ্রমিকদের মজুরী বিষয়ক চিত্র তুলে ধরেন।
একতা দল ও স্বভাব সংগঠনের আয়োজনে ইউনিয়নের নারী শ্রমিকরা পুরুষের সমান শ্রম দিয়েও নায্য মজুরী না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা পুরুষের সমান মজুরী দাবি করায় জমির মালিকরা পুরুষের চেয়ে ৩০থেকে ৫০টাকা বেশি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রসঙ্গত চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নে কৃষিতে পুরুষ শ্রমিক ১৮০থেকে ২০০টাকা পেলেও নারী শ্রমিকরা ৮০থেকে ১০০টাকা শ্রমের মজুরী হিসেবে পাচ্ছেন। কেয়ার সাম্য প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, কৃষিতে নারী শ্রমিকদের মজুরী নিশ্চিত করণে ২০১২সালের মে মাস থেকে নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষ্মীচাপ, রামনগর, খোকশাবাড়ি এবং চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নে উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে। তিনি জানান, জমির মালিক ও শ্রমিকদের সমন্বয়ে বর্তমানে নারী শ্রমিকরা আগের থেকে ৩০থেকে ৫০টাকা পর্যন্ত বেশি পাচ্ছেন।