সিসি নিউজ।। নীলফামারীর জলঢাকায় গোলনা ইউনিয়নে মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে কিশোরীর বাবা শাহানুর আলম নিজে বাদী হয়ে জামাতা বেলাল হোসেনকে আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন।
আসামী বেলাল হোসেন একই ইউনিয়নের চিড়াভিজা গোলনা গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে।
মামলার সূত্রমতে, আসামী বেলাল হোসেন ভুক্তভোগী কিশোরীর আপন বড় বোনের স্বামী। কিছুদিন থেকে লম্পট দুলাভাই ছোট শ্যালিকাকে কুপ্রস্তাব দিতে থাকে। এতে শ্যালিকা রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে বেলাল। সোমবার শ্যালিকার বিয়ের দিনক্ষন নির্ধারনের দিন ধার্য্য করা হয়। এরই জেরে রোববার (৯ জুলাই) আনুমানিক রাত সাড়ে ৮টার দিকে লম্পট দুলাভাই শ্যালিকাকে শ্বশুড়বাড়ি পাশে লাউ গাছের তলায় জোরপূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে। কিন্তু কিশোরীর চিৎকারে ধর্ষনে ব্যর্থ হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শ্যালিকার গলা ও গাল কেটে দিয়ে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয়রা কিশোরীকে উদ্ধার করে প্রথমে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক কিশোরীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। বর্তমানে ওই কিশোরী রমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মামলা দায়েরের বিষয়টি জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুল আলম নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শ্যালিকাকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভিকটিমের গালে ও গলায় আঘাত করে। বর্তমানে মেয়েটি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে আসামীকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।