• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে সৈয়দপুর পৌরসভা

সিসি নিউজ।। সারাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির প্রবণতার মুখে সতর্কতামূলক নানা কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা। পৌর মেয়রের নির্দেশনায় পৌর এলাকার ১৫টি ওয়ার্ডে মশক নিধন কর্মসূচীর কার্যক্রম শুরু করেছে। এ কর্মসূচীর আওতায় শহরের মশা প্রজনন কেন্দ্র চিহ্নিত করে ফগার ও স্প্রে মেশিন দিয়ে ওষুধ ছিঁটানোর কাজ চলছে। মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।

সৈয়দপুর পৌরসভার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম জানান, ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় এডিস মশার প্রজনন কেন্দ্র চিহ্নিত করে ড্রেন, জলাধার, ঘনবসতি এলাকাগুলোতে ওষুধ ছিঁটানো হচ্ছে। এছাড়া স্টাফ কোয়ার্টার ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন ঝোপ-জঙ্গল কেটে পরিস্কার করা হচ্ছে। এসব কাজে সার্বক্ষনিক ৩৮জন কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছে।

সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বেবী জানান, পৌরসভার একটি মানুষও যেন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত না হয় সে লক্ষ্যে এডিস মশার ঝুঁকিপূর্ণ আবাসগুলোতে ওষুধ ছিঁটানোর কর্মসূচী চলছে। এটি তদারকি করতে সকল ওয়ার্ড কাউন্সিলর, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ডেঙ্গুর রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা তিনি বাসা বাড়ির ও তার আশপাশ এলাকা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত বাসন, টায়ার, ছোট গর্ত পানি জমে থাকে এমন এডিস মশার প্রজনন স্থানগুলো পরিষ্কার রাখতে পৌরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। ডেঙ্গুর ঝুঁকির মাত্রা কমিয়ে না আসা পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

এদিকে গত এক সপ্তাহ ধরে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী রবিউল ইসলাম। তিনি ঢাকা শহরের উত্তরায় ৭নং সেক্টরের একটি কোম্পানিতে আনসার সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর গ্রামে। এছাড়া সৈয়দপুরের এ হাসপাতালে গত এক মাসে ৪জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়ে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নাজমুল হুদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নীলফামারীর জেনারেল হাসপাতাল সূত্র জানায়, এ হাসাপাতালে গত ১১ জুন থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ১৪ জন রোগি ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে ১০ জন চিকিৎসায় সুস্থ্য বাড়িতে ফিরেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন চার জন। এসব রোগির মধ্যে ১৩ জনই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন ডেঙ্গু প্রকোপের এলাকা ভ্রমন করেছেন। এদের মধ্যে জলঢাকার কৃষক আব্দুর রাজ্জাক নামের এক রোগি গত ১০ বছরের মধ্যে ঢাকায় যায়নি। এরপরও ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এবিষয়ে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আবু-আল হাজ্জাজ বলেন, হাসপাতালে আসা ১৪ রোগির মধ্যে ১৩ জনেরই ভ্রমন হিস্ট্রি আছে। কিন্তু কৃষক আব্দুর রাজ্জাকের কোন ভ্রমন হিস্ট্রি পাওয়া যায়নি’। এডিস মশা সাধারণত রোগির শরীর থেকে এ রোগটি বহন করে সুস্থ্য মানুষের শরীরে ছড়ায়। আব্দুর রাজ্জাকের কোন ট্রাভেল হিস্ট্রি না থাকায় ধারণা করা হচ্ছে এ এলাকায়ও এডিস মশার প্রকোপ ছড়িয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ