সিসি নিউজ।। রংপুরের সিটির মোড় থেকে সৈয়দপুরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল পর্যন্ত মহাসড়কের দূরত্ব ৩৫ কিলোমিটার। এ রুটে নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও দিনাজপুরের একাংশের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন যানবাহনে পৌছে গেছে রংপুরে প্রধানমন্ত্রীর মহাসমাবেশে। কিন্তু অন্য দিনের মতো নেই কোন যানজট কিংবা ছোটখাটো দূর্ঘটনা। তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার বিশেষ নজরদারিতে এমনটি সম্ভব হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
সূত্রমতে, উত্তরাঞ্চলের ব্যস্ততম সড়কগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়ক। উত্তরের ৪টি জেলার মানুষ সারাদেশের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতে এ সড়কটি ব্যবহার করে। ৩৫ কিলোমিটার দুরত্বের সড়কের দুইপাশে ১০টি বাজার রয়েছে। তাই এই সড়কটিতে প্রতিদিন কোন কোন সময় যানজট লেগে থাকে। কিন্তু রংপুরে প্রধানমন্ত্রীর মহাসমাবেশকে লক্ষ্য রেখে তারাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ তৎপরতায় যানজটমুক্ত সড়কে পরিনত হয়েছে।
রংপুরের পাগলাপীরে সাড়ে ৩টার সময় কঁথা হয় তারাগঞ্জ বাজারের মোটরসাইকেল চালক আরমান হোসেনের সাথে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশে যোগদানের জন্য মোটরসাইকেলে রংপুর গিয়েছিলাম। রংপুর শহরের সিও বাজার পর্যন্ত কেন যানজট পাইনি। সেখানে গিয়ে আত্মীয়ের বাসায় মোটরসাইকেল রেখে সভাস্থলে যাই। পরে মোবাইলে পারিবারিক সমস্যার কথা জেনে বাড়ী ফিরে যাচ্ছি।
এ ব্যাপারে তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব মোর্শেদ জানান, প্রধানমন্ত্রী রংপুরে আগমনে উত্তরের চার জেলার নেতাকর্মী ও সমর্থকরা সহস্রাধিক যানবাহনে চেপে এ রুটে রংপুরে গেছে। এদিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে ঢাকা থেকে আসা দলের সিনিয়র নেতাগণ গাড়ীতে রংপুরে পৌছেছেন। প্রশাসন ও মিডিয়ার বাহন ছিল বেশি। তাই বিষয়টি মাথায় রেখে হাইওয়ে পুলিশ দুইদিন আগে থেকে মহাসড়কে যানজট মুক্ত রাখার পরিকল্পনা করি।
তিনি আরো জানান, প্রতিটি বাজারে ও মোড়ে জেলা পুলিশের সাথে হাইওয়ের অধিক সংখ্যক পুলিশ নিয়োজিত করা হয়। সড়কে কোন বাহন বিকল হয়ে পড়লে তা দ্রুত সরানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া রযেছে। তবে সমাবেশ শেষে মহাসড়কে এক সাথে গাড়ীর চাপ কমাতে তারাগঞ্জ হাইওয়ের প্রবেশমুখে সজাগ থাকবে পুলিশ সদস্যরা।